বিপিএলের প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে ফাইনালে পা রাখল চট্টগ্রাম রয়্যালস। শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ১৩৩ রান করে রাজশাহী। জবাবে ৩ বল ও ৬ উইকেট হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম।
মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে রাজশাহীকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠায় চট্টগ্রাম রয়্যালস। নির্ধারিত ওভারে মাত্র ১৩৩ রান তুলতে পারে রাজশাহী।
জবাব দিতে নেমে মির্জা বেগ এবং মোহাম্মদ নাঈম শেখের ব্যাটে চড়ে ভালো শুরু পায় চট্টগ্রাম রয়্যালস। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে বিনা উইকেটে ৩১ রান তোলে চট্টগ্রাম।
ওপেনিং জুটি থেমেছে ৬৪ রানে। ৩৮ বলে ৩০ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন নাঈম শেখ। এদিন তিন নম্বরে নামানো হয়েছে হাসান নওয়াজকে। ১৪ বলে ২০ রানের ক্যামিও খেলে দলীয় ৯৮ রানের মাথায় বিদায় নেন নওয়াজ।
এক প্রান্ত আগলে রেখে টিকে ছিলেন মির্জা বেগ। কার্যকরী ব্যাটিংয়ে এগিয়েছেন। চলে যান ফিফটির কাছেও। দলও ছিল জয়ের পথে। যদিও রাজশাহীর বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শেষ দিকে কিছুটা চাপ বেড়েছে চট্টগ্রামের উপর।
চারে নামা আসিফ আলী এক ছক্কায় ৮ বলে ১১ রানের ইনিংস খেলেছেন। শেষ দিকে বেশ জমে ওঠে ম্যাচ।
পাঁচে নামেন শেখ মেহেদী হাসান। শেষ ২ ওভারে দরকার ছিল ১৯ রান। বোলিংয়ে আসেন বিনুরা ফার্নান্দো। প্রথম বলেই দারুণ এক ছক্কা হাঁকান মেহেদী। ১১ বলে ১৩ রানে চলে আসে সমীকরণ।
পরের ৩ বলে আসে ৩ রান। পরের বলে বেগকে ফেরান বিনুরা। ৭ বলে দরকার ১০ রান। ফিফটির আগেই ৪৭ বলে ৪৫ রান করে সাজঘরে ফিরে যান বেগ। ১৯তম ওভারের শেষ বলে ১ রান আসে। ৬ বলে দরকার তখন ৯ রান।
শেষ ওভারে বোলিংয়ে আসেন রিপন মণ্ডল। স্ট্রাইকে ছিলেন আমির জামাল। প্রথম বলে ১ রান। পরের বলে মেহেদী হাঁকান ছক্কা। ৫ বলে দরকার ২ রান। পরের বলেই ২ রান নিয়ে ফেলেন শেখ মেহেদী। ৩ বল হাতে রেখে ৬ উইকেটে জয় পায় চট্টগ্রাম রয়্যালস। ৯ বলে ১৯ রান করে টিকে ছিলেন শেখ মেহেদী।
দারুণ এই জয়ে সরাসরি ফাইনালে চলে গেল চট্টগ্রাম রয়্যালস। অন্যদিকে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে সিলেট টাইটান্সের মুখোমুখি হবে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
সময়ের আলো/এআর