২০২৪ সালের আগস্ট থেকে আমরা বাংলাদেশে ব্যাপক পরিবর্তন দেখেছি। আমার মনে হয়, সামনে আরও পরিবর্তন দেখব। এমনটাই মন্তব্য করেছেন, ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাজধানীর ইএমকে সেন্টারে গণমাধ্যমকর্মীর সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
এ সময় তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন, আমরা সবার সঙ্গে কথা বলি। ক্ষমতায় থাকুক বা না থাকুক, সবার সঙ্গে কথা বলার আমাদের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। এখানে রাজনৈতিক পরিসরের সব দিক থেকেই ২০ বছর ধরে আমার বন্ধু রয়েছে।’
রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে যে-ই জয়ী হোক না কেন, তার সঙ্গেই যুক্তরাষ্ট্র কাজ করবে। বাংলাদেশে কে নির্বাচিত হবে, কে বাংলাদেশে পরবর্তী নির্বাচিত সরকার হিসেবে দায়িত্ব নেবে, এটি বাংলাদেশের জনগণের একটি সার্বভৌম সিদ্ধান্ত এবং এটি শুধু বাংলাদেশের জনগণেরই সিদ্ধান্ত। এতে অন্য কোনো দেশের বলার কোনো অধিকার নেই।’
ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনেক ইতিবাচক সম্ভাবনা রয়েছে। এমন অনেক ক্ষেত্র আছে যেখানে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারি। যেমন, অর্থনীতি, বাণিজ্য, ব্যবসা ও নিরাপত্তার মতো বিষয় রয়েছে।’
এর আগে, গত ১২ জানুয়ারি ঢাকায় আসেন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। ১৫ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেন তিনি।
মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরে গত ৯ জানুয়ারি শপথ নেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন।
সময়ের আলো/এনএ