বাংলাদেশকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে একদিনের সময় বেঁধে দিয়েছে আইসিসি। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সিদ্ধান্ত না জানালে বিকল্প দল হিসেবে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে অন্তর্ভুক্ত করবে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ এই সংস্থা।
এখন প্রশ্ন হলো বাংলাদেশ যদি নিজেদের অনড় অবস্থান ভারেত না গিয়ে টি-টোয়েন্টি বয়কট করে তাহলে কী কী হতে পারে?
জানা গেছে, ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য আইসিসি প্রাইজমানি ঘোষণা করেছে ১৩.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৬২ কোটি টাকা)। বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দল নূন্যতম ফি পাবে ৩ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা।
এ ছাড়াও গ্রুপ পর্ব এবং সুপার এইট পর্বে প্রতি ম্যাচ জয়ের জন্য দলগুলো আলাদাভাবে ৩১,১৫৪ মার্কিন ডলার (প্রায় ৩৭ লাখ টাকা) করে বোনাস পাবে। এবং ৫ম থেকে ১২তম স্থানে থাকা দল পাবে ৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা করে। চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৩৬ কোটি ও রানার্স-আপ পাবে প্রায় ২০ কোটি টাকা।
আইসিসির বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, যদি কোনো দল নির্ধারিত ভেন্যুতে খেলতে না যায়, তবে সেই ম্যাচগুলোতে প্রতিপক্ষ দলকে ‘ওয়াকওভার’ দেওয়া হয়। এর ফলে, বাংলাদেশ কোনো পয়েন্ট পাবে না এবং টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাবে।
আইসিসি বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করতে চাইছে। এ ছাড়াও আইসিসি এবং সম্প্রচারকারী স্বত্বাধিকারীদের সঙ্গে প্রতিটি বোর্ডের একটি চুক্তি থাকে। টুর্নামেন্ট বয়কট করলে অংশগ্রহণ ফি ও রাজস্ব ভাগের বড় একটি অংশ কেটে নেওয়া হতে পারে।
যদি আইসিসি মনে করে যে বাংলাদেশের নিরাপত্তার অজুহাতটি ‘যৌক্তিক নয়’ তবে তারা আরও কঠোর হতে পারে। এবং ভবিষ্যতে আইসিসির অন্যান্য বড় টুর্নামেন্ট (যেমন: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি বা পরবর্তী বিশ্বকাপ) থেকে বাংলাদেশকে সাময়িক নিষিদ্ধ করা হতে পারে।
এদিকে, বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে না খেললে বাংলাদেশের র্যাঙ্কিংয়েও বড় ধস নামবে। এর ফলে সরাসরি পরবর্তী বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করা কঠিন হয়ে পড়বে এবং সহযোগী দেশগুলোর সঙ্গে বাছাইপর্ব খেলে আসতে হবে।
সময়ের আলো/এআর