জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী জোটে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না যোগ দিতে পারেন বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আগামী দুই-একদিনের মধ্যেই এই জোটবদ্ধ হওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হতে পারে।
তবে এবিষয়ে শুক্রবার মাহমুদুর রহমান মান্না গণমাধ্যমকে বলেন, আসলে দেশের রাজনৈতিক দলগুলো এখন সমঝোতা নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। তাই কে কখন কোনদিকে যাচ্ছে তা বলা কঠিন।
তিনি বলেন, এখনো দলটির সঙ্গে এ বিষয়ে তেমন কথা হয়নি। হয়তো তারা (জামায়াত) নিজেদের মধ্যে আলোচনা করতে পারে।
জামায়াত জোটে যাওয়া নিয়ে ‘হাঁ’বা ‘না’ উত্তর এড়িয়ে তিনি বলেন, দেখা যাক।
এর আগে বৃহস্পতিবার ঠাকুরগাঁওয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত ইসলামীর সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল হালিম জানান, ১০ দলীয় জোট ফের ১১-দলীয় জোটে রুপান্তরিত হচ্ছে। দুই-একদিনের মধ্যে সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা আসবে।
এরপর থেকে আলোচনা শুরু হয় আসলে কোন দল যোগ দিচ্ছে জামায়াত জোটে।
এ বিষয়ে নাগরিক ঐক্যের একজন নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ঢাকা মহানগরের সাবেক সহসভাপতি বলেন, জামায়াত জোটে গিয়ে এমপি হতে না পারলে অবস্থান নিয়ে সমালোচনা সৃষ্টির পাশাপাশি মান্নার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার আরও নিম্নমুখী হতে পারে। তাই বিষয়টি নিয়ে তিনি চিন্তা ভাবনা করছেন। তবে, শেষ পর্যন্ত জামায়াতের সঙ্গে জোট করে ঢাকা-১৮ আসনে ভোট করার পক্ষে ইতিবাচক মান্না ও তার দল।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ইতিমধ্যে মাহমুদুর রহমান মান্নাকে জোটে নেয়ার বিষয়ে সঙ্গে কয়েকদফা কথা বলেছেন। জামায়াতের পাশাপাশি মান্নারও এতে আগ্রহ রয়েছে। কারণ, মান্নাকে বগুড়া-২ আসনে প্রাথমিক মনোনয়ন দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত বিএনপি সেখানে দলটির প্রার্থী শাহে আলমকে ‘ধানের শীষ’প্রতীক দিয়েছে। বিএনপির প্রার্থীকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়ায় তিনি এখন ক্ষুব্ধ। দুঃসময়ের ত্যাগ মূল্যায়ন না করায় তিনি ‘নাগরিক ঐক্য’এককভাবে ১১ টি আসনে দলের প্রতীক ‘কেটলি’ প্রতীকে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন।
সময়ের আলো/জেডআই