নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমান মাছউদ বলেছেন, নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের কোনো ধরনের চাপ ও প্রলোভনের কাছে নতি স্বীকার করা যাবে না। রিটার্নিং অফিসার, প্রিজাইডিং অফিসার ও ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তারাই নির্বাচনের মূল ভরকেন্দ্র। তাদের পেশাদারিত্ব, সততা ও নিরপেক্ষতার ওপরই নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা নির্ভর করে।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য সততা, দক্ষতা ও নিরপেক্ষতার কোনো বিকল্প নেই। নির্বাচনি প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা শতভাগ অনুসরণ করতে হবে।
সভায় মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ও চট্টগ্রাম–৪ আসনের রিটার্নিং অফিসার ড. মো. জিয়াউদ্দীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খাঁন।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, দেশকে কিছু দেওয়ার সুযোগ সবার জীবনে আসে না। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়াই হবে আমাদের দায়িত্ব।
সভায় গণভোট সংক্রান্ত বিষয়ে ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের স্পষ্ট ধারণা থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তাকে গণভোট বিষয়ে বিস্তারিত জ্ঞান অর্জনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
প্রসঙ্গত, আসন্ন সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সীতাকুণ্ড উপজেলার প্রায় দুই হাজার প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারকে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে দেওয়া হয়।
সময়ের আলো/আআ