চট্টগ্রাম নগরীর পলোগ্রাউন্ড মাঠে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচনি সমাবেশে লাখো মানুষের উপস্থিতির টার্গেট নেওয়া হয়েছে। রোববার (২৫ জানুয়ারি) বেলা বাড়ার সঙ্গে সমাবেশমুখী জনস্রোতও বাড়ছে। নগরজুড়ে দেখা দিয়েছে অন্যরকম উচ্ছ্বাস-প্রাণচাঞ্চল্য।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-দফতর সম্পাদক এম ইদরিস আলী বলেন, এই সমাবেশে ব্যাপক লোক সমাগম হবে। আশা করছি, লাখ লাখ লোক সমাগম হবে। আমরা মনে করি দলের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সর্বস্তরের লোকজন অংশ নেবে সমাবেশে।
এদিকে রোববার বেলা ১০টার পর তীব্র জনস্রোত দেখা গেছে সমাবেশের দিকে। এর মধ্যে মাঠের মাঝামাঝি অংশ পূর্ণ হয়ে গেছে। চট্টগ্রাম মহানগর ও আশপাশের জেলা-উপজেলা থেকে আসা নেতা-কর্মীদের স্রোত এক জায়গায় এসে মিশেছে। এখন অধীর অপেক্ষা তারেক রহমানের দিকে। সমাবেশস্থলে উপস্থিত হচ্ছেন ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড নিয়ে। দলীয় কর্মীদের স্লোগানে মুখর হয়ে উঠেছে পুরো পলোগ্রাউন্ড এলাকা।
বিএনপি কর্মী অর্জুন কুমার বলেন, এবারের সমাবেশ ইতিহাস হয়ে থাকবে। জুলুম-নির্যাতনের শিকার কর্মীরা এবার প্রাণ খুলে কথা বলার সুযোগ পেয়েছে। সভা-সমাবেশে বাধা ভয়হীন পরিবেশে অংশ নেওয়ার সুযোগকে কাজে লাগাচ্ছে। তাই জনস্রোত বাড়তে থাকবে।
যুবদলের এক ওয়ার্ড নেতা বলেন, লাখো লোকের সমাবেশ আসন্ন নির্বাচনে ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। উদ্দীপনার সৃষ্টি হবে দলীয় কর্মীদের মধ্যে।
এদিকে রোববার সকালে রেডিসন ব্লু হোটেলে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তরুণদের সঙ্গে পলিসি ডায়ালগে অংশ নেন। এরপর বেলা সাড়ে ১১টায় পলোগ্রাউন্ড মাঠে মহাসমাবেশে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম সফর শেষে ফেনী, কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জে একাধিক পথসভায় অংশ নেওয়ার কর্মসূচি রয়েছে।
মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম নগরীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। প্রায় দুই হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন আছে। সমাবেশস্থল ছাড়াও পথে পথে মোতায়েন আছে পুলিশ।
মঞ্চসহ পুরো এলাকাকে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয়ে বিভক্ত করা হয়েছে। এসবের মধ্যে আছে রেড জোন, ইয়েলো জোন ও গ্রিন জোন। এর মধ্যে মঞ্চকে রেড জোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং বৃহত্তর চট্টগ্রামের ২৩টি আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থীরা অবস্থান করতে পারবেন। মঞ্চের সামনের অংশ ইয়েলো জোন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এই জোনে সাংবাদিকদের জন্য পৃথক ব্যবস্থা আছে। নারীদের জন্য থাকবে আলাদা ব্লক। পুরো পলোগ্রাউন্ড মাঠ আছে গ্রিন জোন হিসেবে। পুলিশের পাশাপাশি নজরদারিতে আছে সিএসএফ।
আরআর