দীর্ঘ ২৪ বছর পর রংপুর সফরে আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার আগমনের খবরে রংপুরের তৃণমূল বিএনপি নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও অবহেলার অবসান ঘটবে— এমন আশায় নতুন করে উজ্জীবিত হয়েছেন উত্তরবঙ্গের মানুষ।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমান উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় নির্বাচনি সমাবেশে অংশ নেবেন। এরই অংশ হিসেবে রংপুরে একটি সমাবেশ আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।
রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও রংপুর-৩ (সদর) আসনের দলীয় প্রার্থী সামসুজ্জামান সামুর সময়ের আলোকে বলেন, বিষয়টি নিয়ে একটি প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভা শেষে গণমাধ্যমের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।
রংপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও রংপুর–৬ (পীরগঞ্জ) আসনের প্রার্থী সাইফুল ইসলাম জানান, আগামী ৩০ জানুয়ারি রংপুরের কালেক্টর ঈদগাহ মাঠে একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে পারে।
তিনি আরও জানান, দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বরণে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তবে নির্বাচনি আচরণবিধি মাথায় রেখে বড় কোনো আয়োজন করা হচ্ছে না।
স্থানীয় সিনিয়র সাংবাদিক রাজু আহমেদ বলেন, ২০০৩ সালে শীত ও ঘন কুয়াশার রাতে অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করে তারেক রহমান রংপুরবাসীর প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। এবার তিনি অবহেলিত রংপুরকে উন্নয়নের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর পরিকল্পনা তুলে ধরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
রংপুর আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও জজকোর্টের পিপি অ্যাডভোকেট আফতাব উদ্দিন বলেন, প্রিয় নেতার আগমনে রংপুরের মানুষের মাঝে নতুন প্রাণ ফিরে এসেছে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে মামলার জট কমবে এবং রংপুরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে।
রংপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সহসভাপতি মনজুর আহমেদ আজাদ বলেন, তারেক রহমানের আগমনে দীর্ঘদিনের স্থবির ব্যবসায়িক পরিবেশে নতুন গতি ফিরবে।
কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আবু তাহের বলেন, প্রিয় নেতাকে একনজর দেখার জন্য মানুষ মুখিয়ে আছে। বিএনপি নেতাকর্মীরা ব্যাপকভাবে উজ্জীবিত।
এ বিষয়ে রংপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ এনামুল আহসান জানান, বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যা পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো অফিসিয়াল তথ্য পাওয়া যায়নি।
এফআর