রাজধানীর কদমতলী দনিয়া এলাকার একটি বাসা থেকে ইয়াসমিন (৪৫) নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে দনিয়া নুরপুর চিলড্রেন গার্ডেন স্কুল বিল্ডিংয়ের ২য় তলা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এরপর ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।
মৃত ইয়াসমিনের বাবার নাম সবুজ মিয়া। বাড়ি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার দূর্গাপুর গ্রামে। ১ম স্বামীর নাম মো. মহাসীন জোয়ার্দ্দার।
লাশের সুরতহাল প্রতিবেদনে কদমতলী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামরুন নাহান উল্লেখ করেন, ইয়াসমিন তার ২য় স্বামীর সাথে কদমতলীর ওই বাসায় থাকতেন। বাসার বিছানার উপর থেকে মরদেহ উদ্ধারের সময় দেখা গেছে, তার নাক দিয়ে তরল পদার্থ বের হচ্ছে। গলা ও কাঁধে লালচে বর্ণ। কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন
নিহতের ছেলে আলআমিন জানান, ২ থেকে আড়াই বছর আগে নজরুল নামে একজনের সাথে ২য় বিয়ে হয় তার মা ইয়াসমিনের। একারণে মায়ের সাথে তেমন যোগাযোগ ছিল না তাদের। আগে গার্মেন্টসে চাকরি করতেন ইয়াসমিন। মঙ্গলবার রাতে নজরুল তাকে ফোন করে বলে, তোমার মায়ের খোঁজ নাও। তোমার মামা তোমার মাকে মেরে ফেলেছে। এর বেশি কিছু বলেনি। এরপর থেকে নজরুলের ফোন বন্ধ। মায়ের ফোনে কল করেও তাকে পাচ্ছিল না। পরেরদিন অর্থাৎ বুধবার বিকেলে মায়ের বাসায় গিয়ে দেখেন, রুমের দরজা বাইরে থেকে ছিটকিনি লাগানো। খুলে ভিতরে গিয়ে দেখেন, তার মা বিছানার উপর মৃত অবস্থায় পড়ে আছেন। এর পর তারা পুলিশে খবর দেন।
আলআমিন বলেন, আমার মাকে নজরুলই মেরে ফেলেছে। তাকে ধরলেই সব তথ্য বেরিয়ে আসবে।
এএডি/