প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ এর পক্ষে প্রচার করতে পারবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয়

প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি গণভোটে ‘হ্যাঁ’এর পক্ষে বা ‘না’এর পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য জনগণকে কোনোভাবে আহ্বান জানাতে পারবেন না।

2026-01-29T20:10:31+00:00
2026-01-29T20:50:28+00:00
 
  শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬,
২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬
জাতীয়
প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ এর পক্ষে প্রচার করতে পারবে না
নির্বাচন কমিশন
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:১০ পিএম  আপডেট: ২৯.০১.২০২৬ ৮:৫০ পিএম  (ভিজিট : ৪২৫)
নির্বাচন কমিশন ভবন। ছবি : সংগৃহীত
প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি গণভোটে ‘হ্যাঁ’এর পক্ষে বা ‘না’এর পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য জনগণকে কোনোভাবে আহ্বান জানাতে পারবেন না। কারণ এ ধরনের কার্যক্রম গণভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে। তবে তিনি গণভোট বিষয়ে জনগণকে অবহিত ও সচেতন করতে পারবেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সকল রিটার্নিং কর্মকর্তাদের পাঠিয়েছেন।

ওই নির্দেশনায় ইসি বলেছে, এ ধরনের কার্যক্রম গণভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে, যা গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী একটি দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের এ বিধান অনুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন একই সঙ্গে জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সম্পর্কিত সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়ন প্রশ্নে গণভোট হবে। সরকার ইতিমধ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছে। সরকারের উপদেষ্টাদের পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানও প্রচারে অংশ নিচ্ছে। একটি পক্ষ নিয়ে প্রচার চালানোর সুযোগ আছে কি না, এ প্রশ্ন বেশ কিছুদিন ধরে আলোচিত ছিল।

প্রসঙ্গত, গণভোট অধ্যাদেশের ২১ ধারায় বলা আছে, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ ও সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান মোতাবেক যেসব কার্য অপরাধ ও নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন হিসাবে গণ্য, একই ধরনের কার্য গণভোটের ক্ষেত্রেও যতদূর প্রযোজ্য, অপরাধ ও আচরণবিধির লঙ্ঘন বলিয়া গণ্য হইবে, এবং এরূপ ক্ষেত্রে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ ও সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান প্রয়োগ করিয়া এখতিয়ার সম্পন্ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক উক্ত অপরাধের বিচার এবং আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে।

অন্যদিকে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৮৬ ধারায় বলা হয়েছে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি কোনোভাবে নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে তার সরকারি পদমর্যাদার অপব্যবহার করলে তিনি সর্বোচ্চ পাঁচ বছর ও সর্বনিম্ন এক বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হবেন।


এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণিবিধি ভাঙায় ১২ লাখ ২৪ হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা করেছে নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ইসির এনআইডি অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশন) মো. সাইফুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গত ৮ থেকে ২৮ জানুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন/অভিযোগ বিষয়ে গৃহীত ব্যবস্থা (জেল/জরিমানা) সম্পর্কে প্রতিবেদনে জানা যায়, ১৭৬টি নির্বাচনী এলাকায় ১৯২টি আচরণবিধি ভঙের ঘটনা ঘটেছে। এতে মোট জরিমানা করা হয়েছে ১২ লাখ ২৪ হাজার ৩০০ টাকা ও ১১৯টি মামলা করা হয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

সময়ের আলো/জেডআই


  বিষয়:   গণভোট  হ্যাঁ  না 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: