খালে বাঁধ দিয়ে চলছে মাটি লুট, ঝুঁকিতে লাখো মানুষ

রামগতি -কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি

সারাদেশ

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় সেউয়াখালী খাল থেকে মাটি লুটের মহোৎসব চলছে। মাটি পরিবহনে খালের উপর তৈরি করা হয়েছে অবৈধ মাটির বাঁধ।

2026-02-04T16:15:04+00:00
2026-02-04T16:16:39+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সারাদেশ
খালে বাঁধ দিয়ে চলছে মাটি লুট, ঝুঁকিতে লাখো মানুষ
রামগতি -কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:১৫ পিএম  আপডেট: ০৪.০২.২০২৬ ৪:১৬ পিএম
মাটি পরিবহনে খালের উপর তৈরিকৃত অবৈধ বাঁধ। ছবি : সময়ের আলো
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় সেউয়াখালী খাল থেকে মাটি লুটের মহোৎসব চলছে। মাটি পরিবহনে খালের উপর তৈরি করা হয়েছে অবৈধ মাটির বাঁধ। একই সঙ্গে খালের পানি প্রবাহের জন্য থাকা রিং বাঁধটিও কেটে ফেলা হয়েছে। এতে আসন্ন বর্ষায় পানিবন্দি হওয়ার শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে আশপাশের কয়েক হাজার পরিবারের লাখো মানুষ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ভুলুয়া নদীর শাখা সেউয়াখালী খাল। খাল থেকে গত ১০-১৫ দিন ধরে দৈনিক ৩০ থেকে ৪০টি ট্রাক্টর (টলি) মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে। মাটি পরিবহনের কারণে এলাকার সরকারি রাস্তাগুলো চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ভারী যান চলাচলের কারণে ধুলাবালিতে অতিষ্ঠ স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে চক্রটি প্রভাবশালী হওয়ায় প্রতিবাদ করতে পারছেন স্থানীয়রা।

Advertisement
স্থানীয়দের অভিযোগ, জহির উদ্দিন নামে এক অসাধু মাটি ব্যবসায়ী এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা। তার নেতৃত্বে উপজেলার চর কাদিরা ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের মানিক হাওলাদারের মাছের প্রজেক্ট থেকে মাটি কেটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে মেসার্স এ.জি.বি (AGB) নামের ইটভাটায়।

মাটি পরিবহনের সুবিধার্থে সরকারি সেউয়াখালী খালের ওপর অবৈধ মাটির বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, খালের পানি প্রবাহের জন্য থাকা রিং বাঁধটিও কেটে ফেলায় স্বাভাবিক পানি চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

স্থানীয়দের দাবি, বর্ষা মৌসুম আসার আগেই খালের বাঁধ অপসারণ এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় জলাবদ্ধতার কারণে কয়েক হাজার একর ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও জানান তারা।


অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত জহির উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে প্রতিবেদকের সঙ্গে বিষয়টি ‘রফা-দফা’ বা ম্যানেজ করার প্রস্তাব দেন।

তবে এ বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন কমলনগর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ আরাফাত হুসাইন। 

তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। সরকারি সম্পদ নষ্ট করে এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে মাটি কাটার কোনো সুযোগ নেই। আমি নিজেই সরেজমিনে গিয়ে এই বিষয়ে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

এফআর
  বিষয়:   রামগতি  কমলনগর  খাল  বাঁধ  মাটি লুট  ঝুঁকি  লাখো মানুষ 


Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: