অর্থনৈতিক দৈন্যতার কারণে গেল বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে শুরু হওয়া প্রায় সাড়ে চার দশকের মধ্যে প্রথম সবচেয়ে বড় সংকটে পড়েছিল ইরান। দেশটি শুরু থেকেই এ বিশৃঙ্খলার পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসলাইলের হাত ছিল বলে স্বীকার করেছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট কেনেথ হোমার বেসেন্ট।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
অর্থমন্ত্রী স্কট কেনেথ জানান, ইরানে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মার্কিন ডলারের ঘাটতি তৈরি করেছিল ওয়াশিংটন। এ পদক্ষেপের কারণে ইরানি মুদ্রা রিয়ালের ব্যাপক পতন ঘটে এবং এমন অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হয়, যা গত ডিসেম্বরের দাঙ্গার প্রেক্ষাপট তৈরি করেছিল।
তিনি বলেন, ‘আমরা যা করেছি তা হলো দেশটিতে ডলারের সংকট তৈরি করা, এটি ডিসেম্বরে একটি দ্রুত এবং বিশাল চূড়ান্ত পরিণতির দিকে মোড় নেয়, যখন ইরানের অন্যতম বৃহত্তম ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংককে তখন টাকা ছাপাতে হয়েছিল, দেশটির মুদ্রার মান হু হু করে পড়ে যায় এবং মুদ্রাস্ফীতি ভয়াবহ রূপ নেয়। ডলার সংকট তৈরি করার পাশাপাশি, একই চাপ প্রয়োগের অভিযানের অংশ হিসেবে ওয়াশিংটন ইরানের তেল রপ্তানিও শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনে। এর মাধ্যমে সাধারণ ইরানিদের ওপর অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা কঠোর করা হয় এবং প্রকাশ্যে দেশটিতে আর্থিক অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা চালানো হয়।’
এর আগে গত ২০ জানুয়ারি এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘মার্কিন নিষেধাজ্ঞাগুলো মূলত ইরানের মুদ্রাকে দুর্বল করার জন্যই ডিজাইন করা হয়েছিল।’
সময়ের আলো/কেএইচও