ভারতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র চলমান বিক্ষোভের মধ্যেই রাজধানী দিল্লিমুখী কৃষকদের পদযাত্রা ঠেকাতে শম্ভু ও খানৌরি সীমান্ত পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতায় আয়োজিত ‘কিষাণ মহাপঞ্চায়েতে’ যোগ দিতে সোমবার থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত, বিশেষ করে পাঞ্জাব থেকে হাজার হাজার কৃষক দিল্লির উদ্দেশে রওনা হন।
দিল্লিমুখী কৃষকদের অগ্রযাত্রা থামাতে সীমান্তে একাধিক ব্যারিকেড বসায় পুলিশ। ফলে বিপুলসংখ্যক কৃষক সীমান্তেই আটকে পড়েন। পরে তাঁরা সেখানেই অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
মঙ্গলবার হরিয়ানার বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে ব্যারিকেড বসানো হলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় কয়েকটি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে হরিয়ানা সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছেন কৃষক নেতারা।
এর আগেও ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে আইন প্রণয়নের দাবিতে কৃষকেরা একই ধরনের আন্দোলন শুরু করলে শম্ভু ও খানৌরি সীমান্তে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছিল। সে সময় কৃষকেরা ওই দুই সীমান্তে টানা এক বছরেরও বেশি সময় অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।
এবার ‘দেশ বাঁচাও মোর্চা’র ব্যানারে আয়োজিত কিষাণ মহাপঞ্চায়েতে কয়েক লাখ কৃষকের অংশগ্রহণের আশা করছেন আয়োজকেরা। তাই আন্দোলনকে ঘিরে দিল্লি ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে প্রশাসন।
সময়ের আলো/এসএকে