আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সহিংসতা ও অনিয়মের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বরিশাল- ৩ আসনের (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
তার দাবি, নির্বাচন ঘিরে ইতোমধ্যে মাদারিপুর, শরীয়তপুরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে পেশাদার ডাকাত ও বোমা তৈরিতে জড়িত একটি চক্র এলাকায় (বরিশাল- ৩ আসন) প্রবেশ করেছে। এতে ভোটাররা ভয়ের মধ্যে আছে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নির্বাচনি পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। বরিশাল নগরীর সদর রোডের অশ্বিনী কুমার হলে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ফুয়াদ বলেন, এই চক্রের অনেকেই অস্ত্রধারী। স্থানীয়ভাবে তাদের উপস্থিতি জনমনে সংশয় তৈরি করেছে। বিভিন্ন চরাঞ্চল ও বিচ্ছিন্ন এলাকায় অস্ত্র দিয়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলছে। তবে এসব বিষয়ে এখনো যৌথ বাহিনীর কার্যকর অভিযান চোখে পড়েনি। তাই এ বিষয়ে নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানান তিনি।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, বরিশাল- ৩ আসনে প্রায় পাঁচ কোটি টাকার জালনোট প্রবেশ করেছে। আমাদের কাছে এ বিষয়ে তথ্য রয়েছে। তার দাবি, ইতোমধ্যে এসব অর্থের লেনদেন বিভিন্ন স্থানে শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, মুলাদী উপজেলার সফিপুর, নাজিরপুর ও বাটামারা ইউনিয়নসহ মোট ১৪টি ভোট কেন্দ্রকে ‘অতিমাত্রায় ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, অভিযান আরও জোরদার করতে হবে এবং ভোটারদের নিরাপত্তা ও আস্থার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
নির্বাচনি প্রশাসন প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, আমাদের কাছে কিছু প্রিজাইডিং অফিসার ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নাম আছে, যারা ইতোমধ্যে দলীয় আনুগত্যের প্রমাণ দিয়েছেন। এসময় নিরপেক্ষ, ন্যায়নিষ্ঠ ও পেশাদার ব্যক্তিদের নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানান ফুয়াদ।
পূর্বের নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ভোটকেন্দ্র দখল বা তথাকথিত ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ হলে তার ফল ভালো হবে না।
এফআর