দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) আবারও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে দলটির আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব বলেন, দীর্ঘ সাত মাস কমিশনারবিহীন থাকার পর নতুন কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া অস্বচ্ছ, দলীয় স্বার্থনির্ভর ও গ্রহণযোগ্য নয়।
এনসিপির দাবি, আপিল বিভাগের সাবেক এক বিচারপতিকে দুদকের চেয়ারম্যান নিয়োগ সংবিধানের ৯৯ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে আইন ও সংবিধান বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন। একই সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে করা দুদক-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিল করে আগের কাঠামোয় ফিরে যাওয়ার সমালোচনা করেছে দলটি।
বিবৃতিতে এনসিপি অভিযোগ করে, গত সাত মাসে ক্ষমতাসীন দলের বিভিন্ন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ উঠলেও দুদক কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। এতে কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে দাবি দলটির।
এনসিপি আরও বলেছে, তাদের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধানের ক্ষেত্রেও তদন্ত শুরুর আগেই দুর্নীতির সত্যতা পাওয়ার কথা প্রকাশ্যে বলা হয়েছিল। পরে সাংবাদিকদের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ওই কর্মকর্তা প্রাথমিক সত্যতা শব্দটি ব্যবহার না করার অনুরোধ করেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
বর্তমান কমিশন বাতিল করে জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ায় নতুন কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছে এনসিপি। দলটি সতর্ক করে বলেছে, দুদককে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
সময়ের আলো/এমকে