ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুন্সীগঞ্জ জেলায় রাজনৈতিক দৃশ্যপটে বড় পরিবর্তন দেখা গেছে। জেলার তিনটি সংসদীয় আসনেই ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো- তিনজনই প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে ফলাফল ঘোষণার পর জেলা জুড়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে।
মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি মনোনীত শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ১ লাখ ৬৫ হাজার ৭১৪ ভোট পেয়ে জয় নিশ্চিত করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের এ কে এম ফখরুদ্দীন রাজী পেয়েছেন ৯৮ হাজার ১৯২ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ মোমিন আলী পান ৩০ হাজার ৩৯৪ ভোট।
আরও পড়ুন
এ আসনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। অন্যদের মধ্যে ইসলামি আন্দোলনের মো. আতিকুল ইসলাম খান পান ৮ হাজার ৯১৭ ভোট, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের রোকেয়া আক্তার ৩১২ ভোট এবং বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আব্দুর রহমান ৪২০ ভোট পান।
মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির মাজেদুল ইসলাম ৫৬ হাজার ৭৫০ ভোট পান।
এ আসনে পাঁচজন প্রার্থী লড়েছেন। ইসলামি আন্দোলনের কে এম বিল্লাল পেয়েছেন ১৩ হাজার ২১৩ ভোট, জাতীয় পার্টির মো. নোমান মিয়া ২ হাজার ৮০৫ ভোট এবং ইসলামিক ফ্রন্টের আশিক মাহমুদ ৬৩৭ ভোট পান।
মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান রতন ১ লাখ ২৪ হাজার ৬৯১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মহিউদ্দিন পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৯৩৬ ভোট। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নূর হোসাইন নূরানী পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৪৫৬ ভোট।
এ আসনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৫৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ। মোট হ্যাঁ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৭৯২ এবং না ভোট ৫৮ হাজার ৮৫২টি। অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে লেবার পার্টি, জাতীয় পার্টি, কমিউনিস্ট পার্টি ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থীরা স্বল্প ভোট পান।
এএডি/