রাজশাহীতে প্রথম ম্যাচে হারের তিক্ততা এখনও টাটকা। তবে সেই ধাক্কা পেছনে ফেলে ইস্ট জোনের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়াতে মুখিয়ে আছে সেন্ট্রাল জোন। বড় প্রত্যাবর্তনের প্রত্যয়ে আত্মবিশ্বাসী দলের তরুণ পেসার রিপন মণ্ডল।
দীর্ঘদিন পর ওয়ানডে খেললেও প্রস্তুতির ঘাটতি দেখছেন না তিনি। পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে সব ফরম্যাটের জন্য প্রস্তুত থাকাই দায়িত্ব বলে মনে করেন ২২ বছর বয়সি এই ডানহাতি সিমার।
রিপন বলেন, অনেক দিন পর একটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছি। কিন্তু একজন পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে সব ফরম্যাটের জন্য সবসময় প্রস্তুত থাকতে হয়। বগুড়ার উইকেট নিয়ে আশাবাদী রিপন মনে করেন, শুরুটা ভালো হলে ম্যাচে ইতিবাচক ফল আনা সম্ভব।
তিনি বলেন, আমরা জানি বগুড়ার উইকেট সবসময়ই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়। আমাদের মনে হচ্ছে উইকেট ভালোই থাকবে। আমরা বোলাররা যদি ভালো শুরু করতে পারি, অথবা আমাদের ব্যাটসম্যানরা যদি ভালো শুরু করে, তাহলে ইনশাআল্লাহ ভালো কিছু করা সম্ভব।
দলের পেস আক্রমণে শক্তি বাড়িয়েছে তাসকিন আহমেদের অন্তর্ভুক্তি। তার উপস্থিতি প্রতিপক্ষের জন্য উদ্বেগের কারণ হবে বলেই মনে করেন রিপন, ‘নিশ্চিতভাবেই তাসকিন ভাইয়ের মতো মানসম্পন্ন বোলার দলে থাকলে প্রতিপক্ষের জন্য সেটা চিন্তার কারণ। তার উপস্থিতি আমাদের আরও শক্তিশালী মনে করায়।
নিজের অন্যতম শক্তি ইয়র্কার আরও ধারালো করার দিকেও মনোযোগ দিচ্ছেন তিনি। বিশেষ করে ওয়ানডের ডেথ ওভারে ইয়র্কার হতে পারে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেওয়ার অস্ত্র।
তিনি বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, আমার ইয়র্কার এখন ভালো হচ্ছে। আমি চাই এটিকে আরও উন্নত করতে। ওয়ানডে ফরম্যাটে শেষের ওভারগুলোতে বোলিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ, যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।
সাম্প্রতিক সময়ে টি-টোয়েন্টিতে সাফল্য পেলেও নিজেকে নির্দিষ্ট কোনো ফরম্যাটে সীমাবদ্ধ রাখতে চান না রিপন। সব সংস্করণেই সমান মনোযোগ দিতে চান তিন, ‘শুধু টি-টোয়েন্টি নয়, আমি যে ফরম্যাটেই খেলি, সেই ফরম্যাটে ভালো করারই চেষ্টা থাকে। আমার পরিকল্পনা সবসময় একটাই- ওয়ানডে, টেস্ট বা টি-টোয়েন্টি, যে টুর্নামেন্টই আসুক না কেন, সেখানে ভালো করা।’
সব মিলিয়ে, রাজশাহীর হার ভুলে বগুড়ায় নতুন করে শুরু করতে চায় সেন্ট্রাল জোন। আর সেই লড়াইয়ে বড় অবদান রাখার প্রত্যয় নিয়েই ইস্ট জোনের বিপক্ষে নামছেন রিপন।
সময়ের আলো/আআ