বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় ছাত্রদল নেতা আরিফুল ইসলামকে (৩২) পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের বিরুদ্ধে। রোববার (১ মার্চ) রাত ১১ টার দিকে উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের মডেল বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আরিফুল ইসলাম স্থানীয় সোনাতলা গ্রামের আব্দুল মজিদ হাওলাদারের ছেলে এবং সাউথখালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ সভাপতি।
এই হত্যাকাণ্ডের পর শরণখোলা উপজেলাজুড়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে এই জড়িত সন্দেহে জামায়াতের ৪ জন কর্মীকে আটক করে।
আটকরা হলেন, খলিল বয়াতি, শাহ জালাল বয়াতি ও তানজের হাওলাদার। অন্যজনের নাম জানা যায়নি।
শরণখোলা উপজেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাঈম ইসলাম হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শরণখোলা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. বেল্লাল হোসেন মিলন বলেন, সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই জামায়াতে ইসলামীর কর্মীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা ছাত্রদল নেতা আরিফুল ইসলামকে একটি ঘরের মধ্যে আটকিয়ে নির্মম ভাবে পিটিয়ে আহত করে। আরিফকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই আরিফ মারা যান। এখন জামায়াত কর্মীদের অত্যাচারে শরণখোলার মানুষ অতিষ্ট। এই হত্যার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করা না হলে বিক্ষোভ মিছিলসহ আরও কঠিন কর্মসূচি দেওয়া হবে।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক জানান, পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হাসপাতাল থেকে নিহত ছাত্রদল নেতা মরদেহ উদ্ধারসহ সুরতহাল রিপোর্ট করে ময়না তদন্তের জন্য সোমবার (২ মার্চ) সকালে মরদেহ বাগেরহাট জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ দিকে নিহতের ভাই শহীদুল হাওলাদার বাদী হয়ে ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১০/১২ জনকে আসামি করে শরণখোলা থানায় হত্যা মামলা করেছেন।
সময়ের আলো/জোই