রমজান মাসে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার কারণে অনেকেই শঙ্কা পান, রোজা রেখে ব্যায়াম করা কি নিরাপদ। তবে সঠিক সময়ে ও পদ্ধতি মেনে চললে রোজার সময়ও হালকা থেকে মাঝারি শরীরচর্চা করা সম্ভব, যা শরীর ও মনের সতেজতা ধরে রাখে।
রোজায় শরীরচর্চার সুবিধারক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি: হালকা ব্যায়াম ক্লান্তি কমায়।
পেশী সক্রিয় রাখা: দীর্ঘ সময় না খেলে পেশী অচল হতে পারে, ব্যায়াম তা রোধ করে।
মন ও ঘুমে সহায়তা: হালকা শরীরচর্চা মানসিক প্রশান্তি এনে ঘুমও ভালো রাখে।
ইফতার ১-২ ঘণ্টা পরহালকা খাবার ও পানি গ্রহণের পর শরীর শক্তি ফিরে পায়। তখন হালকা থেকে মাঝারি ব্যায়াম করা সবচেয়ে নিরাপদ।
সেহরির আগেভোরে উঠে ১৫-২০ মিনিট হালকা স্ট্রেচিং বা হাঁটাহাঁটি করতে পারেন। এরপর সেহরিতে পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি।
আরও পড়ুন
কোন ধরনের ব্যায়াম করা যেতে পারে?হালকা হাঁটাহাঁটি: ২০-৩০ মিনিট।
স্ট্রেচিং ও যোগব্যায়াম: শরীর নমনীয় রাখতে।
ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ: স্কোয়াট, লাঞ্জ, হালকা পুশ-আপ।
সাইক্লিং: অভ্যস্ত থাকলে হালকা।
এড়িয়ে চলবেন: তীব্র কার্ডিও, ভারী ওজন তোলা, বা দীর্ঘক্ষণ খালি পেটে ব্যায়াম।
খাদ্য ও হাইড্রেশনইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান।
খাবারে রাখুন ফল, সবজি ও স্যুপ।
চা-কফি সীমিত রাখুন।
প্রয়োজন হলে ইলেক্ট্রোলাইট সমৃদ্ধ পানীয় গ্রহণ করুন।
সতর্কতামাথা ঘোরা, দুর্বলতা বা বুক ধড়ফড় করলে ব্যায়াম তৎক্ষণাৎ বন্ধ করুন, পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন, রোজায় শরীরচর্চা মানে নিজেকে কষ্ট দেওয়া নয়, বরং সুষম খাদ্য, যথেষ্ট পানি ও হালকা ব্যায়ামের মাধ্যমে শক্তি ও স্বস্তি বজায় রাখা। এভাবে রোজার মাস কাটবে সুস্থতা ও প্রশান্তিতে।
এএডি/