ক্যারিবীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মাদক পাচার ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইকুয়েডর এখন থেকে যৌথভাবে অভিযান চালাবে।
গত মঙ্গলবার মার্কিন সামরিক কমান্ড (সাউথকম) নিশ্চিত করেছে যে, ইকুয়েডরের চিহ্নিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে তারা এই বিশেষ কার্যক্রম শুরু করেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে তারা জানায়, লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের নাগরিকদের ওপর দীর্ঘকাল ধরে চলা মাদক-সন্ত্রাস, সহিংসতা ও দুর্নীতি দূর করতে দুই দেশ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সোচ্চার।
ইকুয়েডর সরকারও একদিন আগে জানিয়েছিল যে, তাদের মাদকবিরোধী যুদ্ধে ওয়াশিংটন এখন ‘নতুন এক পর্যায়’ যুক্ত হয়েছে। এই পদক্ষেপটি মূলত বর্তমান প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়ার আমল থেকে শুরু হওয়া দুই দেশের নিরাপত্তা সহযোগিতারই একটি অংশ। যদিও গত বছরের এক গণভোটে ইকুয়েডরের জনগণ দেশটিতে স্থায়ী বিদেশি সামরিক ঘাঁটি করার অনুমতি দেয়নি, তবুও বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র এই কার্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে।
এমনকি মান্তা বন্দরে সাময়িকভাবে মার্কিন বিমানবাহিনীর সদস্য মোতায়েনের ঘোষণাও এসেছে।
আসলে ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ইকুয়েডর মাদক পাচারকারীদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
কলম্বিয়া ও পেরুর মতো বড় কোকেন উৎপাদনকারী দেশগুলোর প্রায় ৭০ শতাংশ মাদক এই দেশের ভেতর দিয়েই পাচার করা হয়। ফলে মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর লড়াইয়ে এক সময়ের শান্ত এই দেশটিতে এখন ব্যাপক প্রাণহানি ও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
সময়ের আলো/আরবিএন