ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সংঘাত আমাদের চোখে দেখিয়ে দিচ্ছে মিসাইলের ভয়াবহতা। আকাশজুড়ে এখন কেবল শব্দ নয়, বরং ‘ব্যালিস্টিক’ এবং ‘ক্রুজ’ মিসাইলের গর্জন শোনা যায়। হাইপারসনিক প্রযুক্তির এই মরণাস্ত্রগুলো নিমেষে একেকটি জনপদকে ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে। এই যুদ্ধের আতঙ্ক কেবল রণক্ষেত্রেই নয়, সিনেমার পর্দায়ও রুদ্ধশ্বাস উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে।
১৯৫৮ সালের ‘দ্য লস্ট মিসাইল’ থেকে শুরু করে বর্তমানের অ্যাকশন থ্রিলার—সবখানেই মিসাইল এক আতঙ্কের নাম। ১৯৬৪ সালের কালজয়ী চলচ্চিত্র ‘ড. স্ট্রেঞ্জলাভ’ এবং ‘ফেইল সেফ’ দেখিয়েছিল, যান্ত্রিক ত্রুটি বা ভুল বোঝাবুঝিতেই একটি মিসাইল কীভাবে বিশ্ব ধ্বংসের কারণ হতে পারে। এছাড়া ‘দ্য পিসমেকার’ ও ‘দ্য সাম অফ অল ফিয়ার্স’-এর মতো সিনেমায় দেখা যায়, মরণাস্ত্র যখন ভুল হাতে পড়ে, তখন মানবসভ্যতা কতটা অসহায় হয়ে পড়ে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করান, বড় পর্দার এসব কাহিনী আসলে বাস্তব পৃথিবীর ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক ঝুঁকিরই প্রতিফলন। তবে যুদ্ধ কোনো সমাধান নয়, ধ্বংস কখনো শান্তি বয়ে আনে না।
ফরিদ উদ্দিন মোহাম্মদ বলেন, মিসাইলের এই প্রলয় শিখা নিভে যাক মানবিকতার বৃষ্টিতে। আমরা এমন এক পৃথিবীর স্বপ্ন দেখি, যেখানে আকাশের নীল ঢেকে যাবে না বারুদের কালো ধোঁয়ায়। আকাশ থেকে আগুনের গোলার বদলে ঝরে পড়ুক সহস্র গোলাপ। ঘৃণা নয়, প্রতিটি হৃদয়ে ছড়িয়ে পড়ুক নিঃস্বার্থ ভালোবাসা—শান্তিই হোক পৃথিবীর একমাত্র পরিচয়।
/ইউএমএইচ