ডিজেল সংকটে চট্টগ্রাম বন্দর বহির্নোঙরে মাদার ভ্যাসেল (বড় জাহাজ) থেকে পণ্য খালাসব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। জ্বালানি তেলের সংকটে ছোট জাহাজগুলো পণ্য খালাস করতে বহির্নোঙরে যেতে পারছে না। আবার বড় জাহাজ থেকে খালাস করা পণ্য নিয়ে লাইটার জাহাজগুলো বহির্নোঙরেই ভেসে আছে। এসব লাইটার জাহাজ ঘাটেও পণ্য খালাস করতে যেতে পারছে না। আবার পণ্য নিয়ে দেশের বিভিন্ন নৌবন্দরের উদ্দেশেও যেতে পারছে না।
জ্বালানি সংকটে সাগরে ভেসে থাকায় নতুন করে পণ্য খালাসে যুক্ত করা যাচ্ছে না লাইটার জাহাজ। বহির্নোঙরে বড় জাহাজের অপেক্ষা সময় বেড়ে গেছে। এতে ডেমারেজের (ক্ষতিপূরণ) মুখে পড়েছে আমদানিকারকরা। সব মিলে পণ্য খালাসে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
লাইটার জাহাজ মালিকরা আজ সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর আগ্রাবাদ এলাকায় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন। ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেশন সেলের (ডব্লিউটিসি) আয়োজনে এই সংবাদ সম্মেলনে ডিজেল সংকটের বিস্তারিত তুলে ধরা হবে বলে জানানো হয়েছে।
ডব্লিউটিসির মুখপাত্র পারভেজ আহমেদ সময়ের আলোকে বলেন, আমরা দৈনিক ৭৫ থেকে ৮০টি লাইটার জাহাজ বহির্নোঙরে পাঠাই। এসব জাহাজের জন্য ডিজেলের চাহিদার গড় হিসাব করলে আড়াই লাখ লিটার প্রয়োজন হয়। এখন জ্বালানি তেল সংকট শুরুর পর দৈনিক গড় হিসাবে ৪০ হাজার লিটার ডিজেল সরবরাহ পাচ্ছি। তেল কোম্পানির ডিলারদের কাছ থেকেই আমরা ডিজেল সরবরাহ পাই। এ অবস্থা চলতে থাকলে বহির্নোঙরে বড় জাহাজের অবস্থান সময় বেড়ে যাবে। ইতিমধ্যে পণ্য নিয়ে আসা বহু বড় জাহাজের অবস্থান সময় পার হয়ে গেছে। চলমান ডিজেল সংকট না কাটলে বড় জাহাজগুলোর কোনোটি সময়মতো চট্টগ্রাম বন্দর ত্যাগ করতে পারবে না।
বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সহ-সভাপতি খাইরুল আলম সুজন সময়ের আলোকে বলেন, লাইটার জাহাজের ঘাটতি হলে কিংবা চলাচলে ব্যাঘাত ঘটলে তার প্রভাব পড়ে বড় জাহাজে। চট্টগ্রাম বন্দর বহির্নোঙরে বিদেশি বন্দর থেকে আসা বড় জাহাজগুলো কত দ্রুত সময়ে ত্যাগ করবে তা নির্ভর করে লাইটার জাহাজের ওপর। কিন্তু ডিজেল সংকটে এসব বড় জাহাজ সময়মতো বন্দর ত্যাগ করা ঝুঁকিতে পড়েছে। চলমান ডিজেল সংকটের কারণে লাইটার জাহাজ পর্যাপ্ত ডিজেল পাচ্ছে না। তাই পণ্যবাহী বড় জাহাজগুলোর অপেক্ষার সময় বেড়ে গেছে। এভাবে বড় জাহাজের অবস্থান সময় বেড়ে গেলে চট্টগ্রাম বন্দরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে।
লাইটার জাহাজ মালিকরা জানান, চলমান ডিজেল সংকট অব্যাহত থাকায় সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ করা হয়েছে। এমনকি অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীকেও বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু লাইটার জাহাজগুলো ডিজেল চাহিদা অনুযায়ী পাচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কারণ আমাদের পিঠ এখন দেয়ালে ঠেকে গেছে।
লাইটার জাহাজ মালিক হাজি মোহাম্মদ শফিক সময়ের আলোকে বলেন, বিপিসি বা সরকারের তরফে বলা হচ্ছে তেলের সংকট নেই। যদি সংকট না থাকে ডিলাররা আমাদের কেন তেল দিচ্ছে না। ডিজেল সংকটে আমরা লাইটার জাহাজ চলাচল করাতে পারছি না। লাইটার করা পণ্য বিভিন্ন গন্তব্যে বিশেষ করে বিভিন্ন নৌবন্দরের উদ্দেশে যেতে পারছে না। লাইটার জাহাজের চলাচল বিঘ্নিত হওয়ায় বড় জাহাজগুলোর গড় অবস্থান সময় বেড়ে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, মাদার ভেসেলগুলোতে থাকা পণ্যের পরিমাণ এবং দ্রুত খালাসের ওপর চট্টগ্রাম বন্দর ত্যাগ করা নির্ভর করে। সর্বোচ্চ ৮-১০ দিনের মধ্যে একটি মাদার ভেসেল চট্টগ্রাম বন্দর ত্যাগ করতে পারে। কিন্তু এখন মাদার ভেসেলগুলো আগামী এক মাসেও যেতে পারবে কি না সন্দেহ। এই অবস্থায় আমদানিকারককে বিপুল ডেমারেজ দিতে হবে। কারণ চট্টগ্রাম বন্দরে মাদার ভেসেল দেরিতে অবস্থান করার কারণে জাহাজ মালিক অন্য কোনো আমদানিকারকের কাছে ভাড়া নিতে পারবে না। যার দায়ভার ডেমারেজের মাধ্যমে দেশের আমদানিকারকের কাছ থেকে আদায় করা হবে।
এদিকে চট্টগ্রাম বন্দরের আশপাশে গড়ে ওঠা ১৯ প্রাইভেট আইসিডিতেও চলছে ভয়াবহ জ্বালানি তেল সংকট। দৈনিক ৬৫ হাজার লিটার ডিজেলের প্রয়োজন হয় আইসিডিতে। এখন দেওয়া হচ্ছে চাহিদার চেয়ে কম। এতে আইসিডিতে আমদানি রফতানি কনটেইনার হ্যান্ডলিং বিঘ্নিত হচ্ছে।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব রহুল আমিন শিকদার সময়ের আলোকে বলেন, ঈদের আগে আইসিডিগুলোতে ভয়াবহ ডিজেল সংকট ছিল। আমরা মন্ত্রণালয়ে এ ব্যাপারে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিলাম। পরে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) আমাদের ডিজেল সরবরাহ কিছুটা বৃদ্ধি করে। তবে তা খুব বেশি নয়। আমাদের আগে ১০ দিনের চাহিদার সমান ডিজেল সরবরাহ করা হচ্ছে। এখন দেওয়া হচ্ছে তিন থেকে চার দিনের মজুদ।
আইসিডিকে কোথায় ডিজেলের ব্যবহার হয় এ প্রশ্নে তিনি বলেন, বিভিন্ন ধরনের ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে দরকার হয় ডিজেল। এসব যন্ত্রপাতি ব্যবহার বিঘ্নিত হলে আমদানি রফতানি পণ্যের কনটেইনার হ্যান্ডলিং বিঘ্নিত হবে। সামগ্রিকভাবে তা রফতানিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
বিজিএমইএর পরিচালক এস এম আবু তৈয়ব সময়ের আলোকে বলেন, সারা দেশে আড়াই হাজার পোশাক কারখানা আছে। চট্টগ্রামে সচল আছে চারশ পোশাক কারখানা। এসব কারখানার উচ্চক্ষমতার প্রতিটি জেনারেটরে ১০০ লিটার করে ডিজেল প্রয়োজন হয়। চলমান জ্বালানি তেল সংকটের কারণে পোশাক কারখানার জেনারেটরে ডিজেল সরবরাহের খুবই নাজুক অবস্থা। আমাদের লোক ডিলারদের সঙ্গে সারাদিন লেগে থাকে। জেনারেটরে যা প্রয়োজন তা দেওয়া হচ্ছে না। খুবই অদ্ভুত একটা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে পোশাক কারখানায়। আমার মনে হয় তেল বিতরণে অব্যবস্থাপনা একটা বড় বিষয় হয়ে দেখা দিয়েছে। না হয় এরকম সংকট হওয়ার কথা নয়।
পরিস্থিতি উত্তরণে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, সামনে লোডশেডিং আরও বাড়বে। এ সময় পোশাক কারখানাগুলো জেনারেটরনির্ভর হয়ে পড়বে। আর এ সময় ডিজেল সরবরাহ না পেলে কারখানায় উৎপাদন কমে যাবে। ব্যাহত হবে সময়মতো পণ্যের অর্ডার নিশ্চিত করা।
ঝুলছে ডেমারেজের খড়গ : চট্টগ্রাম বন্দরে ভেড়া বড় জাহাজকে চার দিনের মধ্যে পণ্য খালাস করে চলে যেতে হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা বড় জাহাজের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নির্ধারিত সময় পার হলে কোনো ডেমারেজ বা ক্ষতিপূরণ গুনতে হয় না। জাহাজ মালিক এবং আমদানিকারকের সঙ্গে একটি চুক্তি হয়, যা চার্টার পার্টি এগ্রিমেন্ট নামে পরিচিত। বড় জাহাজগুলোতে ধারণক্ষমতা অনুযায়ী ৩০ হাজার, ৪০ হাজার বা ৫০ হাজার মেট্রিকটন পণ্য থাকে। এসব জাহাজ ৮ থেকে ১০ দিন সময় পায় খালাস করতে, যা চুক্তিতে লেখা থাকে। ১০ দিন বা নির্ধারিত সময় পার হলে প্রতিদিনের জন্য এক সময় ১০ হাজার ডলার করে ডেমারেজ চার্জ করা হতো। এখন দৈনিক ১৮ হাজার মার্কিন ডলার করে ডেমারেজ গুনতে হয় আমদানিকারককে।
শিপিং এজেন্টরা জানায়, এ সময় ডেমারেজের পরিমাণ ছিল দৈনিক ১০ হাজার মার্কিন ডলার। এখন নৌবাণিজ্যের ক্ষেত্রে দৈনিক জাহাজ ভাড়া অনেক বেড়ে গেছে। তাই প্রতিটি বড় জাহাজের জন্য অন্তত ১৮ হাজার মার্কিন ডলার করে ডেমারেজ দাবি করবে মালিক। আর আমদানিকারক তা দিতে বাধ্য। না দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
লাইটার জাহাজ সংকটের কারণে মাদার ভেসেল বেশি অপেক্ষার দায়ভার বিদেশি জাহাজ মালিক নেবে না। কেবল প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও পণ্য পরিবহনকারী কোনো জাহাজের নিজস্ব ত্রুটির কারণে বেশি সময় অপেক্ষা করলে ডেমারেজ দিতে হয় না। বর্তমানে লাইটার জাহাজ সংকটে কোনো বড় জাহাজ বা মাদার ভেসেল ২০ দিনের কমে চট্টগ্রাম বন্দর ত্যাগ করতে পারবে না। এতে প্রতিটি জাহাজ পিছু ৩০-৪০ হাজার ডলার পর্যন্ত ডেমারেজ গুনতে হতে পারে। প্রতিজন আমদানিকারককে এসব বিপুল ডেমারেজ গুনতে হবে। আমদানিকারক সেই বাড়তি অর্থ তুলে নেবেন ভোক্তার কাছ থেকে। মানে বাজারে সরবরাহ করা পণ্য মূল্য নির্ধারণ করবেন ডেমারেজের অর্থ যুক্ত করেই।
মুখে তালা বিপিসি-তেল কোম্পানির : বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) একসময় চাইলেই জ¦ালানি তেলের তথ্য প্রকাশ করত। বিপিসির পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ত তিন তেল কোম্পানি— পদ্মা, মেঘনা, যমুনার কর্মকর্তারাও মজুদ জ্বালানি তেলের তথ্য প্রকাশ করতেন। কিন্তু জ্বালানি তেলের সংকট শুরু হওয়ার পর মজুদের তথ্য জানতে চাইলেই গড়িমসি শুরু করেন। তাতে বেড়ে যায় সন্দেহ। মজুদের তথ্য প্রকাশ না করলে সংকটের বিষয়টি সামনে চলে আসে।
গত দুই সপ্তাহ ধরে বিপিসি ও তেল কোম্পানির কর্মকর্তারা ডিজেল, পেট্রোল, অকটেনের মজুদের তথ্য চাইলে দিতে অপারগতা প্রকাশ করছেন। ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে রিসিভ করেন না। পরিচয় দেওয়ার পর এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিপিসির এক কর্মকর্তা জানান, পর পর কয়েকটি অয়েল ট্যাঙ্কার চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে। এতে দেশের ডিপোগুলোতে জ্বালানি তেল বিশেষ করে ডিজেলের মজুদ বেড়েছে। তবে মজুদ আরও বাড়াতে হবে। এ জন্য বিদেশ থেকে আমদানি করা ডিজেলের প্রবাহ স্বাভাবিক থাকতে হবে। আমদানি ঠিক রাখার জন্য বাড়তি দামে নতুন নতুন উৎস থেকে ডিজেল সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। বাড়তি দামে কেনা হলেও মজুদ ঠিক রেখে দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ রাখা জরুরি।
ডিস্ট্রিবিউশনে কাজ করছে একটি চক্র : ডিপোতে জ্বালানি তেলের ঘাটতি থাকলেও সাপ্লাই চেইন ঠিক আছে। কিন্তু তারপরও সারা দেশে জ্বালানি তেলের সংকট। আর এই সংকটের জন্য একটি চক্র কাজ করছে বলে মনে করছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, জ্বালানি তেলের ঘাটতি আছে এটা সত্য। কিন্তু তেল কোম্পানি পেট্রোল পাম্পে নিয়মিত সরবরাহ করছে। এই অবস্থায় সংকট হওয়ার কথা নয়। কিন্তু দেখা যাচ্ছে চারদিকেই জ্বালানি তেলের সংকট। চক্রের তৎপরতা সব সরকারের আমলেই থাকে। এই চক্রের তৎপরতা বন্ধ করতে পারলেই বিতরণে চলমান পরিস্থিতি থাকবে না। এ জন্য প্রয়োজন জোরদার মনিটরিং করা। এটি আরও আগেভাগে করা উচিত ছিল। তা হলে আজকের এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না।
যা বলছে চট্টগ্রাম বন্দর : চট্টগ্রাম বন্দর বহির্নোঙর থেকে লাইটার জাহাজে পণ্য খালাসে জ্বালানির সংকট সম্পর্কে অবহিত বলে জানিয়েছেন সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম।
তিনি সময়ের আলোকে বলেন, লাইটার জাহাজের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বন্দর নয়। বেসরকারি একটি সংগঠন এসব পরিচালনা করে। তবে লাইটার জাহাজ মালিকদের পক্ষ থেকে জ্বালানি তেলের সংকটের কথা আমাদের জানানো হয়েছে। আমরা বিপিসিসহ সংশ্লিষ্ট দফতরে বিষয়টির সমাধানের কথা বলেছি। তাদের চিঠি দিয়ে জ্বালানি সংকট সমাধান করতে বলেছি।
পণ্য লাইটার দেরি হলে বড় জাহাজ বা মাদার ভেসেলের অপেক্ষার সময় বেড়ে যাবে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি যাতে এই ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়।
পেট্রোল পাম্পে লাইন দীর্ঘ হচ্ছে : চট্টগ্রাম নগরীর পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেল নিতে আসা বাইকের দীর্ঘ লাইন প্রতিদিন দেখা যাচ্ছে। রোববার অফিস খোলার দিনও পাম্পের আশপাশে দীর্ঘ লাইন চোখে পড়েছে।
নগরীর চান্দগাঁও, মুরাদপুর, দুই নম্বর গেট, গণি বেকারি, আগ্রাবাদ থেকে মোহরা পর্যন্ত সব পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন চোখে পড়েছে। নগরীর চান্দগাঁও বাস টার্মিনালের কিছু আগে র্যাপিড অ্যাকশান ব্যাটালিয়নের সিপিসি কার্যালয়ের পাশে রোববার বিকাল ৪টায় গিয়ে দেখা যায়, অকটেন নিতে বাইকের বিশাল লাইন। সাউদার্ন নামে ওই পেট্রোল পাম্পটি শনিবার বিকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ছিল বন্ধ। তেল না থাকার অজুহাতে দীর্ঘ সময় বন্ধ রাখা হয়।
রোববার সকালে তেল কোম্পানি থেকে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করে দুপুরের দিকে খোলা হয়। এরপর বাইকের দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়। পেট্রোল পাম্পের সামনে বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের লাইনের কারণে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয়েছে।
এফআর