ইরান জনসমক্ষে কঠোর অবস্থান নিলেও পর্দার আড়ালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে বলে দাবি করেছে হোয়াইট হাউস।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ওয়াশিংটনে এক সংবাদ সম্মেলনে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান।
লেভিট জানান, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা প্রশমনে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক যোগাযোগ কেবল অব্যাহত নয়, বরং তা ভালোভাবেই এগোচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ইরান যে প্রকাশ্য হুংকার বা কঠোর বক্তব্য দিচ্ছে, তা বিচার করে পরিস্থিতি অনুমান করা ভুল হবে।
ক্যারোলিন লেভিট বলেন, ইরানি শাসনের পক্ষ থেকে জনসমক্ষে যেসব প্রকাশ্য ভঙ্গি দেখা যাচ্ছে, তার বাইরেও আমাদের মধ্যে আলোচনার কার্যক্রম চলছে এবং তা ফলপ্রসূ হচ্ছে। জনসমক্ষে তারা যা বলছে, আমাদের কাছে পাঠানো গোপন বার্তা তার থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে স্থলসেনা মোতায়েনের সম্ভাবনাকে পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি, তবে ‘কূটনীতি’ এখনো তার প্রথম পছন্দ হিসেবে বহাল আছে।
সংবাদ সম্মেলনে লেভিট যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রমের বিবরণও তুলে ধরেন।
তিনি জানান, মার্কিন বাহিনী ইতিমধ্যে ইরানের ১১ হাজারের বেশি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। এছাড়া ইরানি নৌবাহিনীকে প্রায় পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে এবং ১৫০টিরও বেশি জাহাজ ধ্বংস করা হয়েছে।
তবে আলোচনার ইতিবাচক দিক থাকা সত্ত্বেও তেহরানকে কঠোর সতর্কবার্তা দেন ক্যারোলিন লেভিট।
তিনি বলেন, ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করার এই সুযোগ প্রত্যাখ্যান করে, তবে তাদের চরম মূল্য দিতে হবে। কূটনীতি ব্যর্থ হলে মার্কিন সামরিক বাহিনী পূর্ণ সক্ষমতায় অভিযান চালাতে দ্বিধা করবে না।