মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী ৬ এপ্রিলের নির্ধারিত সময়সীমার আগেই ইরানের সঙ্গে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। রিপাবলিকান প্রসাশনের দাবি, এক গোপন আলোচনায় ইরান আমেরিকার দেওয়া বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট বা শর্ত মেনে নিতে সম্মত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়।
যদিও শর্তগুলো কী তা এখনো জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি, তবে একে বড় ধরনের বরফ গলন হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুরু থেকেই ইরান ইস্যুতে দ্রুত সমাধানের পক্ষে ছিলেন। একাধিকবার তার দেয়া বক্তব্যে এমনটাই উঠে এসেছে। ৬ এপ্রিলকে একটি ডেডলাইন বা সময়সীমা হিসেবে ধরা হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যদি সত্যিই যুক্তরাষ্ট্রের শর্তগুলোতে সায় দিয়ে থাকে, তবে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে এটি একটি বিশাল পরিবর্তন নিয়ে আসবে। দীর্ঘদিনের উত্তেজনা কমিয়ে একটি স্থিতিশীল চুক্তির পথে হাঁটাই এখন উভয় পক্ষের মূল লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে।
এর আগে ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কূটনৈতিক সমাধানকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে রুবিও বলেন, ইরান ইস্যুতে এখনো সরাসরি ও পরোক্ষভাবে যোগাযোগ ও আলোচনা চলছে।
তিনি জানান, ‘মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান হচ্ছে এবং আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।’
রুবিওর ভাষায়, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সবসময় কূটনীতি পছন্দ করেন এবং একটি ফলাফলে পৌঁছাতে চান। এই সমাধান আমরা আগেই অর্জন করতে পারতাম।’ মার্কো রুবিও অভিযোগ করেন, ইরান তাদের রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবহার করছে আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা দিতে।
/এমএইচআর