রাশিয়া ও ইরানের সঙ্গে সম্পৃক্ত বিভিন্ন গোষ্ঠী ড্রোন এবং ড্রোন তৈরির সরঞ্জাম কিনতে ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবহার বাড়িয়ে দিয়েছে। ব্লকচেইন বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ‘চেইনঅ্যানালাইসিস’-এর এক নতুন প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মূলত স্বল্প মূল্যের সামরিক ড্রোন সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়নে তারা এই ডিজিটাল মুদ্রা ব্যবহার করছে।
খবর রয়টার্সের। ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে সহজলভ্য ড্রোনের ব্যবহার বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে এসব ড্রোন সহজে পাওয়া যায়। এর ফলে কারা এসব ড্রোন কিনছে এবং কী উদ্দেশে কিনছে কর্তৃপক্ষের জন্য তা শনাক্ত করা বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে।
চেইনঅ্যানালাইসিস জানিয়েছে, ড্রোনের বেশির ভাগ কেনাকাটা এখনও প্রথাগত আর্থিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই হচ্ছে।
তবে বর্তমানে ড্রোন সংগ্রহের নেটওয়ার্কগুলো ক্রিপ্টোকারেন্সির ভিত্তি ‘ব্লকচেইন’-এর সঙ্গে ক্রমেই যুক্ত হচ্ছে।
বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুদ্ধ অর্ধেক পথ পেরিয়েছে লক্ষ্য এখন ইউরেনিয়াম
সময়ের আলো ডেস্ক
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র সাফল্যের অর্ধেকের বেশি পথ পাড়ি দিয়েছে।
তিনি জানান, দুই দেশের যৌথ হামলাগুলো এখন মূলত ইরানের পারমাণবিক উপকরণের ওপর বিশেষ নজর দিচ্ছে।
নেতানিয়াহু আরও বলেছেন, ইরানের সঙ্গে এই যুদ্ধ শেষ করার কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বা শিডিউল তিনি নির্ধারণ করতে চান না। রক্ষণশীল সংবাদমাধ্যম নিউজম্যাক্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ইরানি শাসনব্যবস্থা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি এবং সেগুলো আমেরিকার শহরগুলোতে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যম খুঁজছে। এই যুদ্ধের মূল লক্ষ্যই হলো সেই প্রচেষ্টা ও পরিণতি রুখে দেওয়া।
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী আরও দাবি করেছেন, যৌথ হামলাগুলো ইতিমধ্যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা কমিয়ে দিয়েছে, উৎপাদন কারখানাগুলো ধ্বংস করেছে। হত্যা করা হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক বিজ্ঞানীদের।
নেতানিয়াহু এবং ট্রাম্প বারবার অভিযোগ করেছেন যে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কাছাকাছি ছিল। জাতিসংঘের পারমাণবিক নজরদারি সংস্থা এই দাবিকে সমর্থন করেনি তারপরও স্থাপনাগুলোতে হামলা চালায় ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া ইরানের শাসনব্যবস্থা নিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, আমি মনে করি এই শাসনব্যবস্থা অভ্যন্তরীণভাবে ভেঙে পড়বে।