চীন সফরে যাচ্ছেন তাইওয়ানের বিরোধীদলীয় নেত্রী চেং লি-উন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) তাইওয়ানের বিরোধীদলীয় নেত্রী ‘শান্তি মিশন’ নিয়ে বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা। সেখানে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হতে পারে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
তাইওয়ানের বৃহত্তম বিরোধী দল কুয়োমিনতাংয়ের (কেএমটি) চেয়ারম্যান চেং বলছেন, তার বেইজিং সফর একটি ‘শান্তি মিশন’। ঠিক এমন একসময়ে এই সফর হচ্ছে, যখন বেইজিং নতুন করে তাইওয়ানের জনগণকে ‘পুনরেকত্রীকরণ’ প্রক্রিয়া সমর্থনে রাজি করাতে তৎপর হয়েছে।
এই সফর এমন একসময়ে হচ্ছে, যখন তাইওয়ানের ওপর চীনের সামরিক চাপ বেড়েছে। বেইজিং তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবে দেখে। একই সঙ্গে, তাইওয়ানের বিরোধী দল পার্লামেন্টে ৪০ বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত প্রতিরক্ষা ব্যয়ের একটি সরকারি পরিকল্পনা আটকে রেখেছে।
এই সফরকে ঘিরে কেএমটি ও তাইওয়ানের ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টি (ডিপিপি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরস্পরবিরোধী বার্তা ছড়িয়েছে। সেখানে যুদ্ধ ও শান্তির প্রতীকী চিত্র ব্যবহার করা হয়েছে।
রোববার কেএমটি এক ভিডিও প্রকাশ করে জানায়, সমৃদ্ধির একমাত্র ভিত্তি হলো শান্তি, আর সেটিই তাইওয়ানের ভবিষ্যতের আশা।
ভিডিওটিতে দেখা যায়, তরুণ-তরুণীরা মাটিতে ও সুইমিং পুলে আরাম করছে এবং হাসিমুখে আকাশের তারার দিকে তাকিয়ে আছে।
জবাবে ডিপিপি ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে অভিযোগ করে, কেএমটি ‘তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা দুর্বল করার জন্য চীনা কমিউনিস্টদের পরিকল্পনার সঙ্গে সহযোগিতা করছে’।
তারা প্রতিরক্ষা ব্যয় অনুমোদনে বিলম্বের বিষয়টি উল্লেখ করে। এই বিলটিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকার সমর্থন দিয়েছে।