গতকাল শনিবার কুয়েতের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্রে ইরানের দ্বিতীয় দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর দেশটিতে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে— এমন আশঙ্কায় আজ সকাল থেকেই স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রবাসী সাধারণ মানুষের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় এবং শুকনো খাবার মজুত করার হিড়িক পড়েছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হাসান রায়ান (৬১) নামের এক কুয়েতি বাসিন্দা বলেন, "সংঘাত যদি এভাবে বাড়তেই থাকে, তবে বাজারে মৌলিক পণ্যগুলো আর পাওয়া যাবে না—এমন একটি ভয় সবার মনে ঢুকে গেছে। সরবরাহ শৃঙ্খল (সাপ্লাই চেইন) ভেঙে পড়ার শঙ্কায় আজ সকাল থেকেই বাজারে পানি এবং ক্যানজাত বা শুকনো খাবারের চাহিদা কয়েক গুণ বেড়ে গেছে।"
এদিকে ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও হামলার আতঙ্কে কুয়েতের জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। আলী মাহমুদ (৪৬) নামের আরেক বাসিন্দা এএফপি-কে বলেন, "আজকে ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও রাস্তাঘাট এবং সমুদ্র সৈকতগুলো প্রায় পুরোপুরি জনশূন্য। মানুষ ঘর থেকে বের হতে ভয় পাচ্ছে।"
উল্লেখ্য, গতকাল শনিবার ইরানের ‘প্রতিরোধ ফ্রন্ট’ ও মার্কিন বাহিনীর মধ্যকার চলমান সংঘাতের জেরে কুয়েতের বেসামরিক পানি ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হামলা চালায় তেহরান। হামলায় কেন্দ্রটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইতিমধ্যে কুয়েত সরকারের পক্ষ থেকে দেশবাসীকে বিদ্যুৎ ও পানি ব্যবহারে সর্বোচ্চ সাশ্রয়ী হওয়ার জরুরি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সময়ের আলো/কহু