ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বর্তমানে ‘ইরানে নেই’। সৌদি সংবাদমাধ্যম আল-হাদাথ এক ইসরায়েলি নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে এমন দাবি জানিয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তার বাবা নিহত হওয়ার পর মোজতবা খামেনিকে সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি কেবল লিখিত বিবৃতির মাধ্যমেই যোগাযোগ করেছেন। জনসমক্ষে তাকে আর দেখা যায়নি।
দায়িত্ব নেওয়ার পর রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে তার বেশ কয়েকটি বিবৃতি পঠিত হলেও সরাসরি দেখা না যাওয়ায় মোজতবা খামেনির স্বাস্থ্য ও অবস্থান নিয়ে নানা গুজবের সৃষ্টি হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রচার চালানো হয়, নতুন এই সর্বোচ্চ নেতা আহত এবং সম্ভবত ‘বিকলাঙ্গ’ অবস্থায় রয়েছেন।
এমনকি দুই দেশের ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক সম্পর্কের কারণে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আমন্ত্রণে মুজতাবাকে চিকিৎসার জন্য মস্কোয় নেওয়া হয়েছে বলেও একটি সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়।
তবে পরবর্তীতে ইরানে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেক্সি দেদভ সংবাদমাধ্যম আরটিভিআইকে নিশ্চিত করেছেন, সর্বোচ্চ নেতা মুজতাবা খামেনি ইরানেই অবস্থান করছেন। তবে ‘বোধগম্য কারণেই’ তিনি আপাতত জনসম্মুখে আসা এড়িয়ে চলছেন।
ওই সূত্র আল-হাদাথের কাছে আরও দাবি করেছে, খামেনির বার্তাগুলো ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নতুন প্রধান আহমাদ বাহিদি এবং বাহিনীর অন্য সদস্যরা লিখে দিচ্ছেন।
সূত্রটির দাবি, ইরানের অভ্যন্তরীণ বিভাজন গভীর হয়েছে এবং তা ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইসরায়েলি ওই সূত্র আরও দাবি করেছে, তেহরান ইসরায়েলে হামলা চালালেও যুক্তরাষ্ট্র চায় না, ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ইসরায়েল অংশ নিক।
সময়ের আলো/ইউএমএইচ