নভোচারী ক্রিস্টিনা কোচ ও ভিক্টর গ্লোভার। ছবি : সংগৃহীত
আর্টেমিস–২ চন্দ্রাভিযান শেষে পৃথিবীতে ফিরেছেন মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার চার নভোচারী। তারা কেমন আছেন, কী করছেন এমন না প্রশ্ন ঘুরছে মানুষের মনে। এসব প্রশ্নের উত্তর দিতে সংবাদ সম্মেলন করেন নাসার কর্মকর্তারা। জানান অবতরণের পর নভোচারীদের নানা মুহূর্তের খুঁটিনাটি।
শনিবার (১১ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টা ৭ মিনিটের দিকে নভোচারীদের বহনকারী ‘ওরিয়ন’ ক্যাপসুল ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগো উপকূলে প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণ করে। এসময় নভোযান থেকে বের হয়ে একটি উদ্ধারকারী নৌযানে ওঠেন তারা। সেখান থেকে তাদের হেলিকপ্টারে করে ইউএসএস জন পি মুরথা জাহাজে নিয়ে যাওয়া হয়।
নাসা জানায়, চার নভোচারী এখন মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ ইউএসএস জন পি মুরথাতে অবস্থান করছেন। ইতোমধ্যে তারা জাহাজের ডেকে হাঁটাহাঁটি করেছেন এবং হাসিমুখে ছবিও তুলেছেন।
মার্কিন মহাকাশ সংস্থাটির প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, জাহাজের ফ্লাইট ডেকে অবতরণের পর হেলিকপ্টারটিতে বসেই নভোচারী ক্রিস্টিনা কোচ ও ভিক্টর গ্লোভার ছবি তোলেন। হাসিমুখেই ছবি তুলতে দেখা গেছে তাদের। পরে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য জাহাজে থাকা চিকিৎসাকেন্দ্রে যান নভোচারীরা।
প্রশান্ত মহাসাগরে ওরিয়ন ক্যাপসুল অবতরণের পর নভোচারীদের নৌযানে তোলা হয়। ছবি : সংগৃহীত
চিকিৎসকেরা নভোচারীদের নাড়ির গতি, রক্তচাপ, মস্তিষ্ক ও স্নায়ুর কার্যকারিতা পরীক্ষা করবেন। পরে তাদের হিউস্টনের জনসন স্পেস সেন্টারে নেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আগামীকাল স্থানীয় সময় সকাল সাতটা থেকে সন্ধ্যা সাতটার মধ্যে যেকোনো সময় হিউস্টনে ফিরবেন নভোচারীরা।
সার্বিক বিষয়ে আর্টেমিস-২ অভিযানের সঙ্গে যুক্ত এন্ট্রি ফ্লাইট ডিরেক্টর রিক হেনফ্লিং বলেন, আমি ভিক্টরকে হাসিমুখে দেখেছি, তিনি ভালো অবস্থায় আছেন। সবাই খুশি, সুস্থ এবং হিউস্টনে ফিরতে প্রস্তুত।
নৌযান থেকে জাহাজের দিকে নিতে নভোচারীদের হেলিকপ্টারে তোলা হয়। ছবি : সংগৃহীত
তিনি আরও বলেন, নাসার প্রধান অগ্রাধিকার হলো নভোচারীদের দ্রুত তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া।
আর্টেমিস-৩ অভিযানের জন্য নভোচারীদের নাম কবে ঘোষণা করা হবে, এমন প্রশ্নে হেনফ্লিং সংক্ষেপে উত্তর দেন, ‘শিগগিরই।’