তিন দিন তিন রাত ধরে ধুমধাম করে বিয়ে। অনুষ্ঠানে খরচ হয়েছে প্রায় ১ কোটি তুর্কি লিরা। উপহার হিসেবে নববধূ পেয়েছেন লাখ লাখ লিরা মূল্যের সোনার গহনা। কিন্তু বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পরদিনই স্বামীর বাড়ি থেকে উধাও হয়ে গেলেন নববধূ। পরে বিয়ের গহনা ও উপহার চুরির অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে তুরস্কের মুগলা প্রদেশের মিলাসে। তোলো নিউজের শনিবারের (৫ সেপ্টেম্বর) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রেফতার হওয়া নববধূ মামুরা কালপুনোভা উজবেকিস্তানের নাগরিক। তিনি মুস্তফা আতেসোগলোর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
বিয়েতে মামুরার পরিবার প্রায় ১ কোটি লিরা খরচ করে। তিন দিন ও তিন রাত ধরে চলে নানা আয়োজন। এ সময় নববধূকে উপহার দেওয়া হয় ৪০ থেকে ৫০ লাখ লিরা মূল্যের গহনা।
তবে বিয়ের পরদিনই স্বামীর বাড়ি ছেড়ে চলে যান মামুরা। এরপর তার স্বামীর পরিবার পুলিশের কাছে গহনা ও নগদ অর্থ চুরির অভিযোগ করলে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
অবশ্য অভিযোগ মানতে নারাজ মামুরা। তার দাবি, বিয়েতে পাওয়া সব গহনা তিনি সঙ্গে নেননি। বিয়ের পর স্বামী তাকে হুমকি ও অপমান করায় রাগ করে মায়ের বাড়িতে চলে যান।
মামুরা জানান, যাওয়ার সময় তিনি সঙ্গে নিয়েছিলেন ২০টি সোনার কয়েন ও নগদ ২ লাখ ২৬ হাজার লিরা। তবে বাকি গহনাগুলো তার শ্বশুরের কাছে রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
পরে মামুরাকে যে বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়, সেখানে তল্লাশি চালায় পুলিশ। কিন্তু সেখানে কোনো গহনা পাওয়া যায়নি।
এখন বিয়ের উপহারের গহনা আসলে কোথায়— নববধূর কাছে, নাকি শ্বশুরের কাছে, সেটিই খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে পুলিশ। পুলিশ বলছে, ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
সময়ের আলো/জেডি