ধ্বংস হয়ে যাবে বলে
চেঁচিয়ে উঠল এক উন্মাদ;
বিশ্ব বিবেক থরহরিকম্প।
মার্কেজের মাকান্দো
এক প্রবল সুনামিতে তলিয়ে গেল!
এ কি মধ্যযুগ! এ কী অন্ধকার?
ও দিকে পরপারে ক্যাস্ট্রো মানব সভ্যতাকে অভিসম্পাৎ করে গেল, ধ্বংস হও, ধ্বংস হয়ে যাও, কাপুরুষের ধ্বংস অনিবার্য।
রেগে ফুঁসে একই মঞ্চে স্বরচিত কবিতা পড়ে গেল নজরুল আর নেরুদা।
ডিলান ‘মাস্টার অব ওয়ার’ শেষ করতেই,
লালন সুর তুললেন ‘এ সব দেখি কানার হাট বাজার।’
সুকান্ত তাঁর বাকসের দেশলাই কাঠিগুলো গুনে দেখল।
রবীন্দ্রনাথ ভাবছেন তিনি যাদের ডাক দিয়েছিলেন দানবের সাথে সংগ্রামের জন্য, তারা এখন কোথায়?
বড় কবিরাজের পথ চেয়ে অমল দাঁড়িয়ে আছে জানালায়।
কবে থেকেই তো চলছে জাতিসংঘ
নামে অনন্ত ধারাবাহিক।
কান্ট লজ্জায় মুখ লুকালেন।
দারবিশ ছুট লাগালো আল্লাহর দরবারে,
জিগ্যেস করবার জন্য ‘পৃথিবীর একটিও
গোলাপ কি বেঁচে আছে ?’
আর এই মাত্র আমার আত্মার গর্ভ থেকে সচিৎকারে জন্ম নিলো একটি কবিতা।
০৯.০৪.২৬
সময়ের আলো/আআ