এশিয়ান বিচ গেমসে কাবাডিতে পদক জেতার লক্ষ্য বাংলাদেশের। এবার চীনের সানিয়াতে অনুষ্ঠিত হবে আসর। গত দুই আসরে কাবাডিতে পদক জিততে পারেনি দল। তবে এর আগের তিন আসরে পদক ছিল লাল-সবুজদের।
বিচ গেমস সামনে রেখে বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনে (বিওএ) এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে গেমসের শেফ দ্য মিশন ও বিওএর সহ-সভাপতি মেজর (অব.) ইমরোজ আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশ বিচ গেমসের প্রথম তিন আসরে কাবাডি থেকে ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছিল। চতুর্থ ও পঞ্চম আসরে কাবাডি ছিল না। এই গেমসে আবার কাবাডি সংযুক্ত হওয়ায় আমাদের প্রত্যাশাও বেশি কাবাডিকে ঘিরে।’ গেমসকে সামনে রেখে ৮০ দিনের প্রস্তুতি নিয়েছে কাবাডির পুরুষ ও নারী দল।
কাবাডির পাশাপাশি ভলিবল ও হ্যান্ডবল গেমসে অংশগ্রহণ করছে বাংলাদেশ। হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদ ভালো ফলাফলের আশা ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমরা মালদ্বীপে বিচ কমনওয়েলথ হ্যান্ডবলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েছিলাম। এশিয়ান বিচের জন্য আমরা প্রস্তুতি নিয়েছি, আশা করছি ইতিবাচক ফলাফল আসবে।’
গেমসের উদ্বোধনী মার্চ পাস্টে বাংলাদেশ দলের পতাকা বহন করবেন হ্যান্ডবল খেলোয়াড় রবিউল ও অ্যাথলেটিক্সের সুমাইয়া দেওয়ান।
সমাপনী অনুষ্ঠানে পতাকা থাকবে বাংলাদেশ ভলিবল দলের অধিনায়ক হরষিৎ বিশ্বাসের কাছে।
গেমসে প্রশিক্ষণের জন্য বিওএ দুই কোটি টাকার বেশি খরচ করেছে। অংশগ্রহণ ও সর্বসাকুল্যে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয়। বিওএ এই ব্যয় বহন করছে আপাতত, তবে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে পাওয়ার আশা করছে তারা। ছয় ডিসিপ্লিনে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদের সংখ্যা ৩১, কর্মকর্তা ১০। এর বাইরে আরও ১৪ জন রয়েছেন কন্টিনজেন্টে।
বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি আসার পর এটিই প্রথম গেমস। এই গেমসের শেফ দ্য মিশন শৃঙ্খলার ব্যাপারে বলেন, ‘কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যেন না ঘটে সেজন্য আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছি। প্রত্যেকে প্রত্যেকের দায়িত্ব সম্পর্কে জ্ঞাত। এরপরও আমরা সার্বক্ষণিক তদারকি করব।’
এফআর