গত ২০০৮-০৯ অর্থবছর থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত সরকার মোট ৮৫ হাজার ৯৯২ দশমিক ৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ (প্রায় ১০ লাখ ৩১ হাজার ৯১১ কোটি ৬৮ লাখ টাকা) বৈদেশিক ঋণ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি আরও জানান, ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে যারা পালিয়েছেন, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং সেই টাকা উদ্ধারে সরকার পেশাদার রিকভারি ফার্ম নিয়োগ করেছে। ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই।
অর্থমন্ত্রী বলেন, এস আলম গ্রুপ ও বেক্সিমকো গ্রুপের অবৈধভাবে বিদেশে পাচার করা সম্পদ উদ্ধারের প্রচলিত আইনি ব্যবস্থায় সম্ভাব্য সব ধরনের প্রচেষ্টা চলমান রয়েছে। আইনি পদক্ষেপ হিসেবে এস আলম গ্রুপের ৪টি ও বেক্সিমকো গ্রুপের অর্থ উদ্ধারে ২টি দেশে ‘মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকোয়েস্ট (এমএলএআর)’ পাঠিয়েছে সরকার। পাশাপাশি বিদেশে তাদের সম্পদ অনুসন্ধানে ৪টি স্বনামধন্য বিদেশি আইনি প্রতিষ্ঠানও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নের লিখিত জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, ২০০৮-০৯ অর্থবছর হতে ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত সময়ে মোট ২২ হাজার ৩২৮ দশমিক ৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ ঋণের আসল এবং ৮ হাজার ৬৯৬ দশমিক ৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ সুদ পরিশোধ করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত অপরিশোধিত বৈদেশিক ঋণের স্থিতি ছিল ৭৭ হাজার ২৭৯ দশমিক ১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২০০৮-০৯ অর্থবছর হতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সরকার মোট ঋণ নিয়েছে ৮৭ হাজার ৩৯৬ দশমিক ০৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ এবং ঋণের আসল পরিশোধ করেছে ২২ হাজার ৫০ দশমিক ৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ। অর্থাৎ এই সময়ে সরকারের বৈদেশিক ঋণের স্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছে মোট ৬৫ হাজার ৩৪৬ দশমিক ২৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ।
অধিবেশনে এনসিপির হাসনাত আব্দুল্লাহ তার প্রশ্নে জানতে চান এস আলম গ্রুপ একাই ৮০ হাজার কোটি টাকা এবং জনতা ব্যাংক থেকে বেক্সিমকো গ্রুপ ২৫ হাজার কোটি টাকা ঋণখেলাপি। এই ঋণ পুনরুদ্ধারে এই অর্থবছরে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা আছে কি না। এ ছাড়া এস আলম গ্রুপকে ঋণ পরিশোধ না করিয়ে পুনর্গঠনের চেষ্টা চলছে কি না বা তাদের সঙ্গে কোনো সমঝোতা হয়েছে কি না। জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে যারা পালিয়েছেন, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং সেই টাকা উদ্ধারে সরকার পেশাদার রিকভারি ফার্ম নিয়োগ করেছে।
ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, বিগত দিনে বিএনপি যতবারই সরকারে এসেছে, ফিন্যান্সিয়াল ডিসিপ্লিন (আর্থিক শৃঙ্খলা) নিয়ে কোনো প্রশ্ন আসেনি। ম্যাক্রো স্ট্র্যাটেজি বা শেয়ারবাজার লুটপাট নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠেনি। তাই আশ্বস্ত করছি, বিএনপির অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় কোনো সমঝোতার সুযোগ নেই।
ঋণখেলাপিদের বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, যারাই ব্যাংক থেকে টাকা নিয়েছে বা বিদেশে পালিয়ে গিয়েছে, সবার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এই টাকা রিকভারির জন্য আমরা দেশের বাইরে পেশাদার ফার্ম নিয়োগ করেছি। টাকা উদ্ধারে একদিকে যেমন জিটুজি (সরকার থেকে সরকার) আলোচনা চলছে, অন্যদিকে বেসরকারি রিকভারি ফার্মগুলোও কাজ করছে। ইনশাআল্লাহ আগামী দিনে আমরা এই টাকা রিকভার করতে পারব।
মন্ত্রী বলেন, অবৈধভাবে বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদ উদ্ধারে ফৌজদারি কার্যক্রমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ইন ক্রিমিনাল মেটারস অ্যাক্ট, ২০১২-এর আওতায় সংশ্লিষ্ট দেশে অনুরোধ বা মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকোয়েস্ট (এমএলএআর) পাঠানো। এস আলম গ্রুপ ও বেক্সিমকো গ্রুপের পাচার করা সম্পদ উদ্ধারের অংশ হিসেবে যৌথ তদন্তকারী দল (দুদক, সিআইডি, সিসিআই, শুল্ক ও গোয়েন্দা) কর্তৃক বাংলাদেশের আদালতে মামলা করা হয়েছে। পাশাপাশি এস আলম গ্রুপের বিষয়ে ৪টি দেশে (বৃটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড, সাইপ্রাস, জার্সি ও সিঙ্গাপুর) এবং বেক্সিমকো গ্রুপের বিষয়ে দুটি দেশে (যুক্তরাজ্য ও সংযুক্ত আরব আমিরাত) এমএলএআর পাঠানো হয়েছে। এ দুটি গ্রুপের পাচার করা অর্থ পুনরুদ্ধারে ফৌজদারি কার্যক্রমের পাশাপাশি দেওয়ানি পদ্ধতিও অনুসরণ করা হচ্ছে। ৪টি স্বনামধন্য বিদেশি আইনি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিদেশে তাদের সম্পদ অনুসন্ধানের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।
অবৈধভাবে বিদেশে পাচার অর্থ উদ্ধার একটি জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি আইনগত প্রক্রিয়া। সংশ্লিষ্ট দেশ থেকে এমএলএআরের জবাব পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ, অপরাধলব্ধ অর্থ-সম্পদ শনাক্ত এবং দেশে বা বিদেশের আদালতে অর্থ পাচারের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়া সাপেক্ষে অর্থ উদ্ধার করা সম্ভব। বাংলাদেশের মতো অন্য যেসব দেশ থেকে অবৈধভাবে সম্পদ পাচার হয়েছে তাদেরও একটি দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। আইনগত বা বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত চলতি বা আগামী অর্থবছরে এস আলম গ্রুপ ও বেক্সিমকো গ্রুপের কী পরিমাণ অর্থ সম্পদ উদ্ধার সম্ভব তা যথাযথভাবে নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। তবে প্রচলিত আইনি ব্যবস্থায় সম্ভাব্য সব ধরনের প্রচেষ্টা চলমান রয়েছে এবং এ জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
এদিকে বর্তমান সরকারের ব্যাংক ঋণ গ্রহণের লাগামহীন গতি এবং রাজস্ব আদায়ের নাজুক পরিস্থিতি নিয়ে জাতীয় সংসদে তীব্র সমালোচনা করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। সম্পূরক প্রশ্ন করতে গিয়ে তিনি বলেন, নতুন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র ৫২ দিনের মাথায় ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ৪৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য উদ্বেগজনক। চলতি অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার যে লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা নির্ধারিত ছিল, এপ্রিলের শুরুতেই তা লক্ষ্যমাত্রার ১০৮ শতাংশ অর্থাৎ ১ লাখ ১২ হাজার ৭৬১ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে রুমিন উল্লেখ করেন, রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রা থেকে প্রায় সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকা পিছিয়ে থাকলেও সরকার ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক ঋণের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে করের আওতা বাড়ানো বা রাজস্ব বাড়াতে সরকারের সুনির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা আছে কি না, অর্থমন্ত্রীর কাছে জানতে চান তিনি।
জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ঋণের এই বিশাল অঙ্ক মূলত বিগত সরকারের রেখে যাওয়া দায়ের ধারাবাহিকতা বা ক্যারিওভার। সরকার মাত্র দুই মাস হলো দায়িত্ব নিয়েছে। তাই এই ঋণ বর্তমান সরকারের কর্মফল হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। এ সময় রুমিন ফারহানাকে আশ্বস্ত করে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের মূল অর্থনৈতিক নীতিই হলো স্থানীয় ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণের পরিমাণ ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনা এবং এর প্রতিফলন আগামী বাজেট থেকেই দেখা যাবে। বর্তমানে দেশের ব্যবসায়ীরা অস্তিত্ব সংকটে থাকায় এবং শিল্পকারখানাগুলো নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত হওয়ায় ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন।
আমির খসরু বলেন, বিগত সরকারগুলোর আমলে এই অনুপাত নিচে নেমে এলেও বর্তমান সরকার অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে অর্থনীতিকে পুনরায় শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাবে।
একীভূত ৫ ব্যাংকের রোগাক্রান্ত গ্রাহকদের টাকা ফেরত : বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলীমের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, বর্তমানে দেশে বেসরকারি পর্যায়ে পরিচালিত (বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক) অনুমোদিত ব্যাংকের সংখ্যা ৪৪টি। দুর্দশাগ্রস্ত ৫টি ব্যাংকের আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার লক্ষ্যে ব্যাংক রেজুলেশন অধ্যাদেশ ২০২৫-এর আওতায় ব্যাংক রেজুলেশন স্কিম ২০২৫ প্রণয়নপূর্বক প্রাথমিকভাবে সুরক্ষিত আমানত হিসেবে প্রত্যেক অপ্রাতিষ্ঠানিক আমানতকারীকে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত পরিশোধ করা হচ্ছে। অবশিষ্ট টাকা স্কিম অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে পরিশোধ করা হবে। এ ছাড়া কিডনি ডায়ালাইসিস ও ক্যানসারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী টাকা ছাড় করা হচ্ছে। অন্যান্য গুরুতর রোগের (যেমন ব্রেইনটিউমার, হার্ট ও ফুসফুস-সংক্রান্ত অপারেশন) ক্ষেত্রেও অর্থ ছাড়করণের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে আর্থিক খাত স্থিতিশীল করতে শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি দুর্বল ব্যাংক একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করেছে সরকার। যে পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করা হয়েছে সেগুলো হচ্ছে ১. এক্সিম ব্যাংক ২. ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক (এফএসআইবিএল), ৩. সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক (এসআইবিএল), ৪. ইউনিয়ন ব্যাংক এবং ৫. গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক। এই ব্যাংকগুলোর গ্রাহকরা তাদের জমানো টাকা ফেরত পাচ্ছেন না।
বরেন্দ্র অঞ্চলে বিশেষ অর্থনৈতিক পরিকল্পনা : চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৃষিপণ্য উল্লেখ করে এর রফতানি ও আমভিত্তিক শিল্পায়নে সরকার বিশেষ অর্থনৈতিক পরিকল্পনা নিতে যাচ্ছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শুধু আম নয়, পুরো বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষির সম্ভাবনা যাচাই করে হিমাগার ও অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য আগামী বাজেট এবং পরবর্তী পরিকল্পনায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষির সার্বিক উন্নয়নে ‘বরেন্দ্র প্রকল্প’ পুনরায় চালু করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া যথাযথভাবে আম সংরক্ষণের জন্য ‘বিশেষ হিমাগার’ স্থাপন, বিশেষায়িত কৃষিপণ্য রফতানি অঞ্চল গড়ে তোলা এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পায়নের ওপর সরকার বিশেষ জোর দিচ্ছে। আম রফতানি বাড়াতে কেবল ‘হট ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট’ স্থাপনই যথেষ্ট নয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘এর সঙ্গে মান নিয়ন্ত্রণ, গ্রেডিং, পরীক্ষাগার ও সার্টিফিকেশন, নিরাপদ পরিবহন, বাজার সংযোগ, ব্র্যান্ডিং এবং আন্তর্জাতিক স্যানিটারি ও ফাইটোস্যানিটারি (এসপিএস) মানদণ্ড পূরণের একটি সমন্বিত ব্যবস্থা প্রয়োজন।’
সংশ্লিষ্ট দফতর থেকে কারিগরি ও অর্থনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য প্রস্তাব পাওয়া গেলে সরকার হট ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট ও রফতানি-সহায়ক অবকাঠামো তৈরির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে। তিনি জানান, বিশেষ আর্থিক প্রণোদনা বা বাজেট সহায়তার ক্ষেত্রে প্রকল্পের বাস্তবতা এবং কৃষকের ন্যায্যমূল্যের বিষয়টি গুরুত্ব পাবে। সরকার নীতিগতভাবে আম রফতানি ও এই খাতের উন্নয়নকে ইতিবাচকভাবে দেখছে।