প্রকাশ: রোববার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৪ এএম
জামিল আহমেদ লিমন, নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি ও হিশাম আবুঘরবেহ। সংগৃহীত ছবিযুক্তরাষ্ট্রে উচ্চতর পড়াশোনা করতে গিয়েছিলেন বাংলাদেশি দুই শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি। গত ১৭ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ থাকার পর তাদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। জামিলের রুমমেট ফিলিস্তিনী বংশোদ্ভূত হিশাম আবুঘরবেহ'র হাতে নির্মমভাবে খুন হয়েছেন তারা।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) জামিলের মরদেহ উদ্ধার হলেও এখন পর্যন্ত উদ্ধার হয়নি বৃষ্টির মরদেহ।
তদন্তকারী সংস্থার ধারণা, বৃষ্টিকে হত্যার পর তার দেহ কয়েক টুকরো করে নদীতে ফেলা দেওয়া হয়েছে। হিশাম শুরুর দিকে পুলিশকে সহযোগিতা করলেও এখন মুখ খুলছে না।
শনিবার ফ্লোরিডার হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের অফিস জানিয়েছে, অভিযুক্ত হিশামের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে দুটি হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে এমন হত্যাকে ফার্স্ট ডিগ্রি মার্ডার বলে।
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। তারা অভিযুক্ত হিশামের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাস ও ফ্লোরিডা কনস্যুলেট। মার্কিন গণমাধ্যমও গুরুত্ব দিয়ে প্রচার করেছে চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডর খবর।
ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় পড়াশোনা করেন প্রায় ৫০০ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী। তাদের মতো পুরো যুক্তরাষ্ট্রের প্রবাসীরাও এ ঘটনায় স্তম্ভিত। পুলিশ এখনও এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানাতে পারেনি।
জামিল আহমেদ লিমন এবং নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি দুজনই ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার পিএইচডির শিক্ষার্থী। জামিল ইউএসএফের ভূগোল, পরিবেশবিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে পিএইচডির শিক্ষার্থী। আর নাহিদা কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারং এর শিক্ষার্থী।
/ইউএমএইচ