কেন কাটছে না ইরান-যুক্তরাষ্ট্র স্থবিরতা?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

ইরান ও ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত ঘিরে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে গভীর অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে জ্বালানি, চিকিৎসা সরঞ্জাম, প্লাস্টিক ও

2026-04-26T21:56:43+00:00
2026-04-26T21:56:43+00:00
 
  রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
আন্তর্জাতিক
কেন কাটছে না ইরান-যুক্তরাষ্ট্র স্থবিরতা?
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫৬ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
ইরান ও ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত ঘিরে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে গভীর অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে জ্বালানি, চিকিৎসা সরঞ্জাম, প্লাস্টিক ও কাঁচামাল সরবরাহ ব্যবস্থায়। বিভিন্ন দেশে জ্বালানি তেলের জন্য দীর্ঘ সারি তৈরি হচ্ছে। একইসঙ্গে হাসপাতালগুলোতে জরুরি চিকিৎসা সামগ্রীর ঘাটতিতে স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত পাঁচ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

সংঘাত নিরসনে দ্রুত কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র তাড়াহুড়ো করবে না বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন। 

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরান একটি প্রস্তাব দিয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র তা পর্যালোচনা করবে। তবে ওই প্রস্তাবের বিস্তারিত এখনো পরিষ্কার নয় বলে তিনি জানান।

এর আগে ফক্স নিউজকেও ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, যুদ্ধ শেষ করার জন্য তার ওপর সময়ের কোনো চাপ নেই এবং তিনি একটি ‘ভালো চুক্তির’ জন্য অপেক্ষা করবেন।

বিশ্লেষকদের মতে, কয়েকটি প্রধান ইস্যু আলোচনাকে জটিল করে তুলেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে স্পর্শকাতর হলো হরমুজ প্রণালি। ইরান এটিকে নিজেদের সার্বভৌম জলসীমা দাবি করলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল সেখানে অবাধ নৌচলাচল নিশ্চিত করতে চায়। ফলে এই অঞ্চল কার্যত সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে।

পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়েও দুই পক্ষের অবস্থান বিপরীত। যুক্তরাষ্ট্র ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সম্পূর্ণ বন্ধের দাবি জানালেও ইরান একে শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যনির্ভর বলে দাবি করছে। বর্তমানে ইরানের কাছে ৪০০ কেজির বেশি উচ্চমাত্রার ইউরেনিয়াম মজুত রয়েছে বলে উল্লেখ করা হচ্ছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প চান, এই ইউরেনিয়ামের পুরোটা যুক্তরাষ্ট্রের হেফাজতে থাকবে।

এছাড়া লেবানন ও হিজবুল্লাহ ইস্যু, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি, অবরোধ প্রত্যাহার, আটকে থাকা অর্থ ফেরত এবং ২৭০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবিও আলোচনাকে আরও জটিল করে তুলেছে।



  বিষয়:   ইরান  ইসরাইল  যুক্তরাষ্ট্র 


Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: