চুরি হওয়া ইউক্রেনীয় শস্য রাশিয়া থেকে কিনল ইসরায়েল, প্রতিবাদ কিয়েভের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

ফিলিস্তিন-ইসরায়েল ও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই এবার কূটনৈতিক যুদ্ধে জড়িয়েছে ইউক্রেন ও ইসরায়েল। রাশিয়ার দখলকৃত ইউক্রেনীয় অঞ্চল থেকে ‘চুরি করা’ শস্য

2026-04-28T14:31:47+00:00
2026-04-28T14:31:47+00:00
 
  মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬,
৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
আন্তর্জাতিক
চুরি হওয়া ইউক্রেনীয় শস্য রাশিয়া থেকে কিনল ইসরায়েল, প্রতিবাদ কিয়েভের
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩১ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
ফিলিস্তিন-ইসরায়েল ও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই এবার কূটনৈতিক যুদ্ধে জড়িয়েছে ইউক্রেন ও ইসরায়েল। রাশিয়ার দখলকৃত ইউক্রেনীয় অঞ্চল থেকে ‘চুরি করা’ শস্য গ্রহণের অভিযোগে ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে কিয়েভ। অন্যদিকে, রাশিয়ার তেল শোধনাগারগুলোতে ড্রোন হামলা আরও জোরদার করেছে ইউক্রেনীয় বাহিনী।

ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) জানিয়েছেন, রাশিয়ার দখল করা এলাকা থেকে চুরি করা শস্য নিয়ে দ্বিতীয় একটি জাহাজ ইসরায়েলের হাইফা বন্দরে পৌঁছেছে। বন্ধুপ্রতিম দেশ হিসেবে ইসরায়েলের এমন কর্মকাণ্ডে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, রাশিয়ার এই অবৈধ বাণিজ্য দুই দেশের সুসম্পর্ককে বাধাগ্রস্ত করছে। এ বিষয়ে মঙ্গলবার সকালে ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতকে ইউক্রেনীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

তবে ইউক্রেনের এই অভিযোগ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদের কড়া জবাব দিয়েছেন ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিওন সার। তিনি বলেন, অভিযোগ কোনো প্রমাণ নয় এবং বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর মধ্যে কূটনৈতিক শিষ্টাচার টুইটার বা সংবাদমাধ্যমে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। বর্তমানে ইউক্রেনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ অঞ্চল রাশিয়ার দখলে রয়েছে এবং কিয়েভ আগে থেকেই দখলদারদের সহায়তাকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে রেখেছে।

এদিকে, কৃষ্ণসাগর উপকূলীয় রাশিয়ার তুয়াপসে তেল শোধনাগারে বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। মঙ্গলবার সকালে রাশিয়ার ক্রাসনোদার অঞ্চলের গভর্নর জানান, রোসনেফ্ট-এর মালিকানাধীন এই শোধনাগারটিতে ভয়াবহ আগুন লেগেছে এবং তা নিয়ন্ত্রণে ১৬০ জনের বেশি কর্মী কাজ করছেন। নিরাপত্তার স্বার্থে স্থানীয় বাসিন্দাদের সরিয়ে নিকটস্থ স্কুলে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। গত ১৬ এপ্রিলও এই শোধনাগারটিতে হামলার জেরে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

মূলত রাশিয়ার আয়ের অন্যতম উৎস তেল অবকাঠামোগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই হামলা চালানো হয়েছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বাল্টিক সাগরে রাশিয়ার রপ্তানি টার্মিনালগুলোতে হামলার ফলে দেশটির তেল রপ্তানি আয় প্রায় ৪০ শতাংশ কমেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংকটের জেরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় রাশিয়া যে অতিরিক্ত মুনাফা করছে, তা রুখতেই কিয়েভ এই আক্রমণাত্মক কৌশল বেছে নিয়েছে। 

ওই দিকে জ্বালানি ও পরিচ্ছন্ন বায়ু বিষয়ক গবেষণা কেন্দ্রের (সিআরইএ) তথ্যমতে, যুদ্ধের প্রথম দুই সপ্তাহেই তেলের উচ্চমূল্যের কারণে রাশিয়ার অতিরিক্ত আয় হয়েছে প্রায় ৬৭২ মিলিয়ন ইউরো।

/কহু




  বিষয়:   চুরি  ইউক্রেন  রাশিয়া  ইসরায়েল  কিয়েভ  ইসরায়েল 


Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: