প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৩ পিএম
এসএসসি পরীক্ষার ১১টি কেন্দ্র ছিল বিদ্যুৎহীন। ছবি : সংগৃহীতব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে পড়ায় চলমান এসএসসি পরীক্ষার ১১টি কেন্দ্র ছিল বিদ্যুৎহীন। এতে ৪ হাজার ৪৭৪ জন পরীক্ষার্থী মোমবাতির আলোয় পরীক্ষা দিয়েছে।
জানা গেছে, নবীনগর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও নবীনগর ইচ্ছাময়ী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষা এবং নারায়ণপুর ডিএস কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে মোমবাতি জ্বালিয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সরেজমিনে, এসব কেন্দ্রে ঘুরে দেখা যায় শিক্ষার্থীরা মোমবাতির আলোয় পরীক্ষা দিচ্ছে।
জানা গেছে, আজ সকাল থেকে শুরু হওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে নবীনগরে পল্লী বিদ্যুতের ৩৩ কেভি লাইনে ট্রিপ করায় পুরো এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
পরীক্ষার হল অন্ধকার হয়ে যাওয়ায় পর্যাপ্ত আলোর অভাবে অনেক শিক্ষার্থী উত্তরপত্র লিখতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়ছে।
এ বছর নবীনগর উপজেলায় এসএসসির ৮টি, দাখিলের ২টি এবং ভোকেশনালের ১টি মোট ১১টি কেন্দ্রে ৪ হাজার ৪৭৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।
শিক্ষামন্ত্রীর পক্ষ থেকে পরীক্ষার সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের নির্দেশনা থাকলেও মাঠ পর্যায়ে তার বাস্তবায়ন দেখা যাচ্ছে না। ফলে এ পরিস্থিতিতে পরীক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা।
নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, বিদ্যুৎ অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। ঝড়-বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুতের তারের ওপর গাছের ডালপালা ভেঙে পড়ায় সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
তিনি বলেন, পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে মোমবাতি ও চার্জ লাইটের মাধ্যমে আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আবদুল ওয়াদুদ হোসেন জানান, সকাল থেকে বৃষ্টিপাত ও ঝোড়ো বাতাসের কারণে বিভিন্ন স্থানে গাছপালা ভেঙে বিদ্যুতের তারের ওপর পড়ে। এতে ৩৩ কেভি লাইন ট্রিপ করায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। সমস্যা সমাধানে কাজ শুরু হয়েছে এবং দ্রুত বিদ্যুৎ চালু করার চেষ্টা চলছে।
এদিকে বিদ্যুৎ না থাকায় অভিভাবকেরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, বিদ্যুতের বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে না পারায় কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের গাফিলতি রয়েছে।
/কেএইচও