কুড়িগ্রামের উলিপুরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে মোস্তফা মিয়া (২৫) নামের এক যুবককে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। ৪ সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও আজোবদি তার সন্ধান মেলেনি।
ঘটনাটি ঘটেছে, গত ৬ এপ্রিল উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের চরগুজিমারী এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদে।
এ ঘটনায় পার্শ্ববর্তী চিলমারী উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের মজারটারি মাঝিপাড়া এলাকার দুখিত চন্দ্র বর্মন (৫৫) রনজিত চন্দ্র বর্মন (৩৮) দিলীপ চন্দ্র বর্মন (৩৫) বিস্কর চন্দ্র বর্মন (২২) সুবোধ চন্দ্র বর্মন (২২) সোহাগ মিয়া (২২) এর নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত পরিচয় আরো পাঁচ থেকে ছয়জনকে আসামি করে গত ৯ এপ্রিল উলিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন মোস্তফার বাবা রফিকুল ইসলাম।
ইতোমধ্যে মামলার এক নং আসামি দুখিত চন্দ্র বর্মণকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
এজাহারে বলা হয়েছে, হাতিয়া ইউনিয়নের চরগুজিমারী গ্রামের বাসিন্দা রফিকুল ইসলামের ছেলে মোস্তফা মিয়া (২৫) গত ৬ এপ্রিল রাত আনুমানিক ১০টার দিকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। পরে তিনি ব্রহ্মপুত্র নদের একটি শাখায় ডিঙি নৌকায় মাছ ধরার সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে নৌকাযোগে আসা একদল ব্যক্তি তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
এতে আরও বলা হয়, অভিযুক্তরা লাঠি, রড, নৌকার বৈঠাসহ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত ছিল। তারা মোস্তফা মিয়াকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক তুলে নেয়। অপহরণের সময় তিনি মুঠোফোনে ভাতিজা আলমঙ্গীর হোসেনকে বিষয়টি জানান।
ভুক্তভোগীর বাবা রফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনার পর বিভিন্ন ভাবে খোঁজাখুঁজি করা হলেও এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাঈদ ইবনে সিদ্দিক বলেন, এ ঘটনায় মামলা রুজু হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র নদে ঘটনাটি ঘটায় নৌ পুলিশ ফাঁড়ি এ বিষয়ে তদন্তের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
চিলমারী নৌ থানার আইসি গোলাম মওলা বলেন, ভুক্তভোগীর বাবার অভিযোগটি মামলা আকারে নথিভুক্ত করা হয়েছে। এই ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করে তিন দিনের রিমান্ড শেষে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
সময়ের আলো/জোই