মধ্য এশিয়ার বাজারে নতুন সম্ভাবনা খুঁজছে বাংলাদেশ। সেই লক্ষ্যেই উজবেকিস্তানের সঙ্গে বাণিজ্য, যোগাযোগ ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়ানোর কৌশলগত উদ্যোগ জোরদার করা হচ্ছে।
এ প্রেক্ষাপটে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সফররত অবস্থায় সমরখন্দে উজবেকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী জামশিদ খোদজায়েভের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও কার্যকর ও বহুমাত্রিক করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সরকারি সূত্র জানায়, বর্তমানে বাংলাদেশ মধ্য এশিয়ার উদীয়মান অর্থনীতিগুলোর সঙ্গে সংযোগ বাড়াতে আগ্রহী। সেই ধারাবাহিকতায় উজবেকিস্তানকে সম্ভাবনাময় অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বৈঠকে বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, বিশেষ করে বিমান চলাচল চালুর বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
আরও পড়ুন
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ঢাকা-তাসখন্দ রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালুর আহ্বান জানানো হয়, যা দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটনে নতুন গতি আনতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে উজবেকিস্তানের কূটনৈতিক উপস্থিতি বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়।
অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্র হিসেবে তৈরি পোশাক, ওষুধ এবং পাটজাত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের ওপর জোর দেওয়া হয়। বাংলাদেশ এসব খাতে উজবেকিস্তানের বাজারে আরও সহজ প্রবেশাধিকার প্রত্যাশা করছে। পাশাপাশি ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।
উজবেকিস্তানের পক্ষ থেকেও ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে। দেশটির সরকার জানায়, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে তারা প্রস্তুত এবং শিগগিরই একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফরে আসবে সম্ভাবনা যাচাই করতে।
বিশ্লেষকদের মতে, ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের পাশাপাশি নতুন অর্থনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশ-উজবেকিস্তান সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হলে উভয় দেশের জন্যই এটি একটি কৌশলগত সুযোগ তৈরি করবে।
এএডি/