যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তির খবরে তেলের দাম কমে যাওয়ার পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শেয়ার বাজার ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। বুধবার (৬ মে) সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, দিনের শুরুতে অপরিশোধিত ব্রেন্ট ফিউচারের দাম প্রতি ব্যারেল ১০৮ ডলার ছিল কিন্তু এখন তা ১০০ ডলারের নিচে নেমে গেছে।
সংবাদমাধ্যম এক্সিওস এক প্রতিবেদনে জানায়, যুদ্ধ বন্ধে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একটি সমঝোতা স্মারকে সম্মত হতে পারে। এরপরই তেলের দামে পতন আর শেয়ারের দাম বেড়ে যায়।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় দখলদার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। ওই সময়ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ছিল ৭০ ডলারের একটু বেশি। এখন দুই দেশের মধ্যে চুক্তির খবরে দাম কমলেও, আগের অবস্থায় যায়নি।
যুদ্ধ শুরুর পর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে তেল উৎপাদনে ব্যাপক হ্রাস ও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় তেল সরবরাহও বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে আন্তর্জাতিক বাজারে।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের পাঁচ ভাগের এক ভাগ জ্বালানি সরবরাহ হয়। যেহেতু এটি প্রায় বন্ধ হয়ে আছে তাই বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যায়।
এদিকে এক্সিওস সম্ভাব্য চুক্তির প্রতিবেদন প্রকাশ করার পর ইরানকে হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তিনি বলেন, যদি ইরান তাদের সঙ্গে শর্ত অনুযায়ী সমঝোতা না করে তাহলে আবারও বোমাবর্ষণ শুরু হবে।
আরবিএন