শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া গ্রামের বৃদ্ধ চাঁন মিয়া পাগলার টয়লেট থেকে একদিন আগে তারই বাড়ি থেকে নিখোঁজ সানজিদা আক্তার (১১) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যায় অভিযুক্ত যুবকের মোবাইলে স্বীকারোক্তির পর এলাকাবাসীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে থানা পুলিশ ওই মরদেহ উদ্ধার করে।
একই সঙ্গে এলাকাবাসীর হাতে আটক অভিযুক্ত যুবক বিল্লাল হোসেনের বাবা চাঁন মিয়া, মা তহুরন নেছা ও বোন রাবিয়াকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করে টয়লেটে লুকিয়ে রেখেছে বিল্লাল।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, বাবা-মা হারা শিশু সানজিদা তার নানি চাঁন ভানুর কাছে ছোটোবেলা থেকে লালন-পালন হয়ে আসছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে সানজিদা প্রতিবেশী চাঁন মিয়ার বাড়িতে খেলতে যায়। সন্ধ্যার পর বাড়ি না ফিরলে স্বজনেরা তাকে রাতে থেকে শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত খোঁজাখুঁজি করেন। এক পর্যায়ে সানজিদার স্বজনেরা বিল্লালের মা তহুরনকে চাপ সৃষ্টি করলে বিকেলে পলাতক ছেলে বিল্লালের মোবাইল নম্বর দেন। পরে ওই নাম্বারে ফোন করে সানজিদার কথা জানতে চাইলে সে সানজিদাকে হত্যা করে নিজেদের টয়লেটে লুকিয়ে রেখেছে বলে স্বীকারোক্তি দেয়। পরে টয়লেটে গেলে সানজিদার মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়। এ সময় এলাকাবাসী বিল্লালের বাবা-মা-বোনকে আটক করে পুলিশকে খবর দেন।
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান জানান, শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে শেরপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।
সময়ের আলো/জোই