আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় ২৭টি অস্থায়ী কুরবানির পশুর হাট বসাবে সংস্থা দুটি। ইতিমধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। তবে কোনো কোনো বাক্সে দরপত্র এখনও পড়েনি।
ফলে দরপত্র চূড়ান্ত হওয়ার আগেই ডিএনসিসি ও ডিএসসিসির কয়েকটি এলাকায় স্থানীয় প্রভাবশালীরা জায়গা দখল করে অবকাঠামো নির্মাণ শুরু করেছেন। বিশেষ করে যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুর ও ধোলাইখাল সংলগ্ন এলাকায় আগেভাগে বাঁশ, টিন ও স্টল বসানো হয়েছে।
অন্যদিকে আওয়ামী লীগ সরকারের সাড়ে ১৫ বছর ও অন্তর্বর্তী সরকারে দেড় বছর সব মিলিয়ে প্রায় দুই দশক পর ডিএসসিসি ও ডিএনসিসির হাট ইজারা নিয়ে আধিপত্য বিস্তার করছেন বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি নেতারা।তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে কয়েকটি এলাকায় ইজারা চূড়ান্ত হওয়ার আগেই হাট বসানোর।
কোথাও কোথাও সরকারি মূল্য কমাতে হাটের নাম ও আয়তন পরিবর্তনের অভিযোগ রয়েছে। আবার কয়েকটি হাটে কোনো দরপত্রই জমা পড়েনি।
দুই সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নিয়মের বাইরে যেতে চাই না। যারা ইজারার শর্ত ভঙ্গ করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সিটি করপোরেশন।
দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি দরদাতাদের দেওয়া পে-অর্ডারসহ যাবতীয় নথিপত্র যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। কোনো হাটের দরপত্র নিয়ে অংশগ্রহণকারীদের কোনো অভিযোগ থাকলে লিখিত দিতে হবে। নিয়ম অনুযায়ী যেসব হাটের জন্য কোনো দর পাওয়া যায়নি, সেগুলোর জন্য পুনরায় দরপত্র আহ্বান করা হবে।
ডিএসসিসির সম্পত্তি বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, কয়েকটি এলাকায় দরপত্র চূড়ান্ত হওয়ার আগেই স্থানীয় প্রভাবশালীরা জায়গা দখল করে অবকাঠামো নির্মাণ শুরু করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এর মধ্যে যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুর ও ধোলাইখাল সংলগ্ন এলাকায় আগেভাগে বাঁশ, টিন ও স্টল বসানোর অভিযোগ রয়েছে। তারা রাজনৈতিক পরিচয়ে আগে থেকেই জায়গা দখলের চেষ্টা করছেন। আনুষ্ঠানিক ইজারা না পেলেও অনেকে ধরে নিয়েছেন শেষ পর্যন্ত তারাই হাট ইজারা পাবেন।
ডিএনসিসির একাধিক কর্মকর্তা জানান, দরপত্র আহ্বান করা হলেও কোথাও এখন পর্যন্ত হাট ইজারা চূড়ান্ত হয়নি। কিন্তু কোথাও কোথাও হাট ইজারা চূড়ান্ত হওয়ার আগেই দখল করা হয়েছে। হয়তো তারা মনে করছেন, তারাই হাট ইজারা পাবেন। তবে নিয়মের ব্যত্যয় হলে নেওয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইজারা পাওয়ার আগেই রাজধানীর তেজগাঁও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট খেলার মাঠে চলছে কুরবানির পশুর হাটের প্রস্তুতি। প্রতি বছরের মতো এবারও মাঠটিতে কুরবানির হাটের জন্য ইজারা দিচ্ছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। সর্বোচ্চ দরদাতার সঙ্গে এখনও চুক্তিই হয়নি করপোরেশনের।
অথচ হাটের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। একই দৃশ্য দেখা যায় দক্ষিণ সিটির আমুলিয়াতে। এখানেও সর্বোচ্চ দরদাতা ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছেন হাটের প্রস্তুতি। গ্রিন বনশ্রী হাউজিং এলাকার হাটেরও একই অবস্থা। এখানকার সর্বোচ্চ দরদাতাও শুরু করেছেন হাটের প্রস্ততি।
এ বছর ঢাকা উত্তরে অস্থায়ী হাট ১৬টি। এর মধ্যে প্রথম দফায় সর্বোচ্চ দরদাতা মিলেছে ৭টির। আর ঢাকা দক্ষিণে ১১টি অস্থায়ী হাটের মধ্যে ৮টিতে মিলেছে সর্বোচ্চ দরদাতা। বাকিগুলোর টেন্ডার এখনও প্রক্রিয়াধীন আছে।
রাজধানীর তেজগাঁও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট খেলার মাঠে ভূমি এগ্রো তাদের সীমানা নির্ধারণ করে ব্যানার টাঙিয়েছে। ভূমি এগ্রোর স্বত্বাধিকারী মাসফিক বলেন, এই পশুর হাট ইজারা নিয়েছেন বলে জানি যুবদলের আমিন ভাই। তিনি আমাদের জায়গা নির্ধারণ করে দিয়েছেন। আমরা তো ব্যবসায়ী এর বাইরে আর কিছু জানি না।
ইউসূফ ব্যাপারী জায়গা নির্ধারণ করে ব্যানার টাঙিয়েছেন। তিনি বলেন, আমাদের জায়গা দেওয়া হয়েছে। তাই ব্যানার টাঙিয়েছি। এর বাইরে কিছু জানি না।
সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, ডিএনসিসি এলাকায় ১৬টি এবং ডিএসসিসি এলাকায় ১১টি অস্থায়ী পশুর হাট বসবে। মোট ৫ দিনের জন্য এসব হাট পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
তিন ধাপে আগামী ১০ দিনের মধ্যে ইজারা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা রয়েছে। এর আগে গত ২৬ এপ্রিল থেকে গতকাল ১০ মে পর্যন্ত তিন ধাপে দরপত্রের শিডিউল বিক্রি ও জমা নেওয়া হয়। ইজারাদারকে দরের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও ১০ শতাংশ হারে পরিচ্ছন্নতা ফি দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।
জানা গেছে, যাত্রাবাড়ীর কাজলা ব্রিজ থেকে মাতুয়াইল মৃধাবাড়ি পর্যন্ত রাস্তার উভয় পাশের খালি জায়গায় হাটটির সরকারি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। গত বছর একই হাটের মূল্য ছিল ৪ কোটি ৭২ লাখ টাকা। গত বছর স্থানীয় বিএনপি নেতা তারিকুল ইসলাম তারেক হাটটির ইজারা নিলেও পেছনে ছিলেন দক্ষিণ বিএনপির সাবেক নেতা নবীউল্লাহ ও সাবেক কাউন্সিলর জুম্মন।
এ বছর তারেক ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকার পে-অর্ডার জমা দিলেও দর উল্লেখ করেননি। অন্যদিকে স্থানীয় জামায়াত নেতা শামীম খানের প্রতিষ্ঠান কেবি ট্রেড সর্বোচ্চ ৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকা দর দিয়েছে। আরও দুটি দর ৪ কোটির বেশি এসেছে। অবশ্য হাটটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
পোস্তগোলা শ্মশানঘাটের নদীর পাড়ের খালি জায়গার পশুর হাটটির এ বছর সরকারি মূল্য ছিল ২ কোটি ৭১ লাখ টাকা। কাজী মাহবুব মওলা হিমেল হাটটি ৪ কোটি ১ লাখ টাকায় ইজারা নিয়েছেন। স্থানীয় জামায়াত নেতাদের সমর্থনে মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন হাটটিতে ৩ কোটি ৩১ লাখ টাকা দর দেন।
হাজারীবাগ অস্থায়ী পশুর হাটের সরকারি মূল্য ছিল ৪ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। স্থানান্তরের কারণ দেখিয়ে হাটটির ৭৪ লাখ টাকা কমিয়ে সরকারি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ কোটি ২০ লাখ টাকা। ২০২৩ সালে হাটটি হাজারীবাগ থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আবুল হাসনাত ৬ কোটি ৬ লাখ টাকায় ইজারা নিয়েছিলেন।
গত বছর মেসার্স সাব্বির এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী নাফিজ কবির ৪ কোটি ৯৫ লাখ টাকায় হাটটির ইজারা নেন। এ বছরও তিনি সরকারি মূল্যের চেয়ে মাত্র ১০ হাজার টাকা বেশি দিয়ে ইজারা নিয়েছেন।
গত বছর উত্তর শাহজাহানপুর মৈত্রী সংঘ হাটের সরকারি মূল্য ছিল ১ কোটি ৮২ লাখ ৩৩ হাজার ৩৩৪ টাকা। চলতি বছর সরকারি মূল্য কমিয়ে ১ কোটি ৭৪ লাখ ৭২ হাজার ৩৩৪ টাকা করা হয়।
গত বছর সাবেক কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা সিকদার কনস্ট্রাকশনের আনিসুর রহমান টিপু ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা দিয়ে ইজারা নিলেও একই হাট এবার তিনি ৩ কোটি ১২ লাখ ৩৬ হাজার টাকায় সর্বোচ্চ মূল্য দিয়ে ইজারা নেন।
গত বছর হাটটি ডেমরা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি জয়নাল আবেদিন রতন ৫৫ লাখ টাকায় নেন। এ বছর হাটটি তিনি ২ কোটি ১৫ লাখ টাকায় ইজারা নিয়েছেন। এই হাটের দরপত্রেও জামায়াতের নেতারা প্রতিযোগিতা করেছেন। বনশ্রী হাউজিংয়ের খালি জায়গায় ৭০ লাখ টাকার সরকারি মূল্যে ইজারা বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছিল।
তিনজন দরদাতার মধ্যে মোহাম্মদ গোলাম হোসেন ২০ হাজার টাকা বেশি দিয়ে হাটের ইজারা নিয়েছেন। বাকি দুজনের দরের ব্যবধান ছিল ৫ ও ১০ হাজার টাকা।
গত বছর কমলাপুরে সাদেক হোসেন খোকা কমিউনিটি সেন্টারের পূর্ব পাশের খালি জায়গার সরকারি মূল্য ছিল ৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। প্রতি বছর এই হাট ব্রাদার্স ক্লাব থেকে সাদেক হোসেন কমিউনিটি সেন্টার পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।
এবার হাটটির ইজারা বিজ্ঞপ্তিতে ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবের দক্ষিণ পাশের খালি জায়গার নাম উল্লেখ করা হয়। শুধু আয়তন কম দেখিয়ে এবার মাত্র ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা সরকারি মূল্য নির্ধারণ করা হয়, যা আড়াই গুণ কম।
তবে হাটটিতে শেষ পর্যন্ত পাঁচটি দরপত্র জমা পড়েছে। এ বছর মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন নামে স্থানীয় এক নেতা ৩ কোটি ১ লাখ টাকা সর্বোচ্চ মূল্যে হাটের ইজারা পেয়েছেন। আরও দুজনের দর ২ কোটি টাকার বেশি ছিল।
গোলাপবাগ মাঠ সংলগ্ন খালি জায়গায় এ বছর নতুন করে দেওয়া হাটের সরকারি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৩ লাখ ৯৩ হাজার টাকা। হাটটিতে ছয়টি দরপত্রের মধ্যে ২ কোটি ৫ লাখ টাকায় আহসানউল্লাহ নামে স্থানীয় বিএনপি নেতা হাটটির ইজারা নিয়েছেন।
এই হাটে জামায়াত ও এনসিপির নেতারা পৃথক ইজারা দর দিয়েছিলেন। সাদেক হোসেন খোকা মাঠের দক্ষিণ পাশের খালি জায়গা ও ধোলাইখাল ট্রাক টার্মিনালের আশপাশের খালি জায়গা সংলগ্ন হাটটির গত বছরের সরকারি মূল্য ছিল ৪ কোটি ৬৪ লাখ ১৫ হাজার ২৮০ টাকা। এ বছর ইজারা বিজ্ঞপ্তিতে শুধু মাঠের দক্ষিণ পাশের খালি জায়গা উল্লেখ করে সরকারি মূল্য করা হয়েছে ২ কোটি ৮০ লাখ টাকা।
গত বছর হাটটি প্রথম পর্যায়ে ২ কোটি টাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা তুষার আহমেদ ইমরান ইজারা দর দেন। পরবর্তী সময়ে দ্বিতীয় পর্যায়ে এনসিপির এক নেতা সরকারি মূল্যের চেয়েও বেশি মূল্য দিলেও শেষ পর্যন্ত সিন্ডিকেটের কারণে হাটের ইজারা নিতে পারেননি। এ বছরও স্থানীয় বিএনপি নেতা তুষার আহমেদ ইমরান একমাত্র দরদাতা হিসেবে মাত্র ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা দর দিয়েছেন।
অন্যদিকে ডিএনসিসির ১৬টি হাটের মধ্যে ‘উত্তরা দিয়াবাড়ী ১৬ ও ১৮ নম্বর সেক্টর সংলগ্ন বউবাজার এলাকার খালি জায়গা’ হাটে সর্বোচ্চ দর দিয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক এস এফ করপোরেশনের মালিক শেখ ফরিদ হোসেন।
তিনি হাটটির জন্য সর্বোচ্চ ১৪ কোটি ১৫ লাখ টাকা দর দিয়েছেন। মস্তুল চেকপোস্ট সংলগ্ন পশ্চিমপাড়ার খালি জায়গা এবং ‘ভাটুলিয়া সাহেব আলী মাদরাসা থেকে ১০ নম্বর সেক্টর রানাভোলা অ্যাভিনিউ সংলগ্ন উত্তরা রানাভোলা স্লুইসগেট পর্যন্ত খালি জায়গা’ এ দুই হাটের জন্য একটি করে দরপত্র পেয়েছে ডিএনসিসি।
এর মধ্যে ৯৩ লাখ ২২ হাজার টাকা মূল্যের মস্তুল হাটের জন্য বিল্লাল হোসেন নামে এক ব্যক্তি দর দিয়েছেন ৩ কোটি ৬০ হাজার টাকা। তবে রানাভোলা হাটের জন্য সরকার নির্ধারিত দর ৮৮ লাখ ২০ হাজার ৭৫০ টাকা। একমাত্র দরদাতা মেসার্স লামিয়া এন্টারপ্রাইজের নুর আলম দর দিয়েছেন ৮৮ লাখ টাকা।
খিলক্ষেত বাজার সংলগ্ন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচের খালি জায়গা, মেরুল বাড্ডা কাঁচাবাজার সংলগ্ন খালি জায়গা, মোহাম্মদপুরের বসিলায় ৪০ ফুট রাস্তা সংলগ্ন খালি জায়গা ও ভাটারা সুতিভোলা খাল অস্থায়ী হাটের জন্য কোনো দরপত্র জমা পড়েনি।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীদের বলেছি যে, নির্দিষ্ট সময়ের আগে কোথাও হাট বসতে পারবে না। নির্দিষ্ট সীমানা-কোন সীমানা পর্যন্ত তারা ব্যবহার করবে, সেই সীমানাও আমরা টেনে দিচ্ছি। কাজেই এর বাইরে যদি বসে, তা হলে সেটা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যবস্থা নেবে।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, চার দিন কুরবানির পশুর হাট, চার দিনের একটা শর্ত দিয়ে দিই আমরা।
নাম্বার দুই হলো, পশুর হাটের কারণে যেন কোনো জনদুর্ভোগ, কোনো যানজটের সৃষ্টি না হয়।
তিন নম্বর হলো, পশুর হাটে যে বর্জ্য থাকে সেটা তারা নিজ দায়িত্বে পরিষ্কার করতে বাধ্য থাকবে, এরকম আরও কয়েকটা শর্ত দিয়েই কিন্তু তাদের ইজারা দেওয়া হয়। অতীতে কোনো শাস্তি না হওয়ায় অনিয়মই এখন পরিণত হয়েছে নিয়মে।
ডিএনসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মোহাম্মদ শওকত ওসমান বলেন, সব দরপত্র যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কোনো অনিয়মের অভিযোগ পেলে তদন্ত করা হবে।
/এসএকে