লেইডেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সালভাদর সান্তিনো রেজিলমে বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য সফলতা মানে এমন কিছু চুক্তি, যেটা তিনি সহজে জনগণের সামনে দেখাতে পারবেন।
এর মধ্যে থাকতে পারে চীনের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু পণ্য বেশি কেনা, শুল্ক কমানো বা কিছু শুল্ক স্থগিত করা, ইরান ইস্যুতে সহযোগিতা, অথবা বিরল খনিজ রফতানি নিয়ে অগ্রগতি।
তিনি বলেন, ট্রাম্পের ক্ষেত্রে শুধু বাস্তব ফল নয়, বরং সেই ফলকে কীভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে সেটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যদিকে, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের জন্য সফলতা হবে এমন একটি পরিস্থিতি, যেখানে চীন যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কাছে না নত হয়ে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে পারে এবং বিশ্বে একটি শক্তিশালী দেশ হিসেবে নিজের অবস্থান বজায় রাখতে পারে।
বিশেষজ্ঞের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বড় কোনো বাণিজ্য চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা কম, কারণ তাদের মধ্যে মূল সমস্যাগুলো এখনো সমাধান হয়নি।
তবে ছোট পরিসরের একটি চুক্তি হতে পারে। যেমন— কিছু শুল্ক কমানো বা স্থগিত রাখা, কিছু পণ্য কেনাবেচার প্রতিশ্রুতি, বিরল খনিজ নিয়ে সমঝোতা এবং ভবিষ্যতে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার একটি পরিকল্পনা।
তার মতে, এমন চুক্তি হলে দুই দেশের সম্পর্ক কিছুটা স্বাভাবিক হতে পারে, কিন্তু মূল সমস্যা থেকে যাবে। কারণ দুই দেশের অর্থনীতি একে অপরের ওপর নির্ভরশীল হলেও, তারা এখন এই নির্ভরতাকেই ঝুঁকি হিসেবে দেখছে।
সূত্র : আল-জাজিরা
/ইউএমএইচ