ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের চার লেন পুরোপুরি ভাবে চালু হওয়ায় এবার ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা নেই উত্তরের প্রবেশদ্বার সিরাজগঞ্জের মহাসড়কে। পাশাপাশি হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের সার্ভিস সড়কগুলো চালু রয়েছে। এতে বিগত সময়ে এই সড়কে তীব্র যানজট দেখা গেলেও এবার ঘরমুখী যাত্রীদের জন্য ঈদযাত্রা ভোগান্তিমুক্ত ও স্বস্তিদায়ক হবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্টরা।
এছাড়া হাইওয়ে পুলিশ, ট্রাফিক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা, যানজট নজরদারি থাকবে উত্তরের এই মহাসড়কে। ফলে বিগত বছরের ঈদযাত্রার মতো অসহনীয় যানজট এবার দেখা যাবে না। তাই উত্তরের ঘরমুখী মানুষের ঈদযাত্রা এক দশকের মধ্যে এবারই হবে সবচেয়ে স্বস্তির।
জানা যায়, স্বাভাবিক সময়ে যমুনা সেতু হয়ে প্রতিদিন উত্তরের ১৬টি ও দক্ষিণের পাঁচটি জেলার প্রায় ১৫ থেকে ১৬ হাজার যানবাহন পারাপার হয়। ঈদ আসলেই যানবাহনের সংখ্যা বেড়ে যায় কয়েকগুণ। এতে বিপুল সংখ্যক গাড়ি একসঙ্গে সেতু পার হতে গিয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। ফলে ভোগান্তির শিকার হন ঘুরমুখী মানুষজন। সাধারণ মানুষ যেন স্বস্তিতে ঈদযাত্রা করতে পারে সে লক্ষ্যে তৎপর থাকবে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। এতে আশা করা যাচ্ছে ঈদুল আজহায় উত্তরের ঘরমুখী মানুষের ঈদযাত্রা আরামদায়ক ও স্বস্তির হবে।
হাটিকুমরুল হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহায় উত্তরের ঈদযাত্রা হবে সবচেয়ে স্বস্তিদায়ক। ঈদে একসঙ্গে সবার ছুটি এবং বাড়ি যাওয়ার কারণে সড়কে একটু চাপ থাকলেও কোনও যানজট থাকবে না। এজন্য ইতিমধ্যেই জেলা পুলিশ ও সড়ক বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও মহাসড়কে ডাকাতি ও ছিনতাই যেন না হয় সেজন্যও বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আগামী ২১ তারিখ থেকে ঈদযাত্রা উপলক্ষে মহাসড়কে পুরোদমে কাজ শুরু করবেন বলে জানান এই কর্মকর্তা।
সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপথ (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইমরান ফারহান সুমেল বলেন, ঈদ উপলক্ষে সিরাজগঞ্জের মহাসড়কে ভোগান্তি বা যানজট মুক্ত রাখতে জেলা পুলিশের সাথে আলোচনা করা হয়েছে। ফলে আশা করছি এবার যানজট বা ভোগান্তি ছাড়াই স্বস্তিতে বাড়ি ফিরবে ঘরমুখো মানুষ।
আরবিএন