চাপ প্রয়োগে ফল না পেয়ে কিউবায় সামরিক অভিযানের ঘোষণা ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

কিউবার ওপর দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও জ্বালানি অবরোধ প্রত্যাশিত ফল না দেওয়ায় দেশটির বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টিকে আরও গুরুত্বের

2026-05-19T21:21:39+00:00
2026-05-19T21:28:25+00:00
 
  রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
আন্তর্জাতিক
চাপ প্রয়োগে ফল না পেয়ে কিউবায় সামরিক অভিযানের ঘোষণা ট্রাম্পের
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৯:২১ পিএম  আপডেট: ১৯.০৫.২০২৬ ৯:২৮ পিএম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : আনাদোলু
কিউবার ওপর দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও জ্বালানি অবরোধ প্রত্যাশিত ফল না দেওয়ায় দেশটির বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টিকে আরও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকোর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিউবার নেতৃত্ব ওয়াশিংটনের চাপের কাছে নতি স্বীকার না করায় ট্রাম্প ও তার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা ক্রমশ হতাশ হয়ে পড়ছেন। বিষয়টি নিয়ে চলমান আলোচনার সঙ্গে জড়িত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুটি সূত্র জানিয়েছে, শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের ধারণা ছিল কঠোর নিষেধাজ্ঞা, তেল অবরোধ এবং ইরান ও ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক সাফল্যের প্রভাব কিউবাকে সমঝোতায় বাধ্য করবে। তবে বাস্তবে কিউবা প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

পলিটিকোকে এক সূত্র জানায়, ‘এখন সামরিক পদক্ষেপ এমনভাবে আলোচনার টেবিলে এসেছে, যা আগে ছিল না।’

এদিকে কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-ক্যানেল যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করে বলেছেন, মানবিক সহায়তার চেয়ে জ্বালানি অবরোধ তুলে নেওয়াই কিউবাকে সহায়তার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘অবরোধ প্রত্যাহার বা শিথিল করলেই কিউবার মানবিক সংকট অনেক সহজে কমানো সম্ভব।’ তিনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র পরিকল্পিতভাবে কিউবার জনগণের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।


কিউবা জানিয়েছে, দেশটিতে জ্বালানি তেল ও ডিজেলের মজুত প্রায় শেষ হয়ে গেছে এবং জাতীয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সংকটজনক অবস্থায় পৌঁছেছে। কয়েক দশকের মধ্যে এটিকে সবচেয়ে ভয়াবহ জ্বালানি সংকট হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে।

এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর কিউবাকে ১০ কোটি ডলারের মানবিক সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। তবে একই সঙ্গে তারা হাভানার কমিউনিস্ট সরকারের সমালোচনা এবং রাজনৈতিক সংস্কারের আহ্বানও জানায়।

বিশ্লেষকদের মতে, ২৯ জানুয়ারি ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন তেল নিষেধাজ্ঞার পর থেকেই কিউবার পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে শুরু করে। ওই নিষেধাজ্ঞায় বলা হয়েছিল, যে দেশ কিউবাকে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে তেল সরবরাহ করবে, তাদের ওপরও মার্কিন শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগে একাধিকবার বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শেষ হওয়ার পর কিউবাই হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের ‘পরবর্তী লক্ষ্য’। তিনি আরও দাবি করেন, কমিউনিস্ট শাসিত দ্বীপ রাষ্ট্রটি ‘খুব শিগগিরই ভেঙে পড়বে’।  



/ইউএমএইচ



  বিষয়:   কিউবা  ট্রাম্প 


Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: