ফের শুরু ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বাকি অংশের নির্মাণ কাজ

সময়ের আলো ডেস্ক

জাতীয়

প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর আবারও শুরু হয়েছে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বাকি অংশের নির্মাণকাজ। বর্তমানে চালু থাকা অংশ দিয়ে

2026-05-21T13:15:25+00:00
2026-05-21T13:15:25+00:00
 
  রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
জাতীয়
ফের শুরু ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বাকি অংশের নির্মাণ কাজ
সময়ের আলো ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১:১৫ পিএম 
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। সংগৃহীত ছবি
প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর আবারও শুরু হয়েছে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বাকি অংশের নির্মাণকাজ। বর্তমানে চালু থাকা অংশ দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার গাড়ি চলাচল করছে। তবে টোলপ্লাজার যানজটের কারণে অনেকে এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার থেকে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। ফলে সম্ভাব্য রাজস্ব থেকে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে।

চীনা প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নে নির্মিত এই পিপিপি প্রকল্পের চুক্তি অনুযায়ী, এক্সপ্রেসওয়ে চালুর পর ২৫ বছর পর্যন্ত প্রতিদিন প্রথম ৮০ হাজার গাড়ির টোল পাবে অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান। এর বেশি গাড়ি চলাচল করলে অতিরিক্ত টোল আয়ের ২৫ শতাংশ পাবে বাংলাদেশ সরকার। 

তবে চালুর পর এখন পর্যন্ত মাত্র তিন দিন ৮০ হাজারের বেশি গাড়ি এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার করেছে। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে বিমানবন্দর এলাকা থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের আংশিক অংশ যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়। পরে ২০২৪ সালে এফডিসি গেট সংলগ্ন কারওয়ান বাজার র‍্যাম্পও চালু করা হয়। লক্ষ্য ছিল রাজধানীর যানজট কমিয়ে নগরবাসীকে স্বস্তি দেওয়া।

এক্সপ্রেসওয়ে কর্তৃপক্ষের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে টোল আদায়ের কারণেই টোলপ্লাজায় ধীরগতি তৈরি হচ্ছে এবং এতে ব্যবহারকারী কমে যাচ্ছে। চলতি বছরের এপ্রিলে ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) চালু হলেও এখনও বেশিরভাগ টোল আদায় হচ্ছে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে। 

সেতু বিভাগ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ৯ হাজারের কিছু বেশি ইটিসি ডিভাইস বিক্রি হয়েছে।


সেতু বিভাগের সচিব মো. আবদুর রউফ জানান, বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ৫৫ থেকে ৬০ হাজার গাড়ি চলাচল করছে। এছাড়া ২০২৬ সালের ডিসেম্বর নাগাদ পুরো এক্সপ্রেসওয়ের কাজ শেষ করা সম্ভব হবে এবং তখন যানবাহনের সংখ্যা বাড়বে ও সরকারের আয়ও বাড়বে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। 

তিনি আরও জানান, এক্সপ্রেসওয়ের মূল নকশার বাইরে গিয়ে আরও চারটি নতুন র‍্যাম্প যুক্ত করার বিষয়েও ভাবছে সেতু বিভাগ। এ নিয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে। ৩০০ ফিটের সাথে কানেকশন থাকলে আরও বেশি ভাইব্রেন্ট হয়। এদিকে মহাখালি বাসস্ট্যান্ড ও মগবাজারের বিষয়টা এখনও এড্রেস করা হয়নি। এগুলো এড্রেস করা হলে দেখা গেলো ভিতরের জ্যামটা আরও কমতে পারে। আমাদের ধারণা এবং এটার দাবিও আছে।

এদিকে, যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান বলেন, মূল নকশায় পরিবর্তন আনলে প্রকল্প ব্যয় ও বাস্তবায়নের সময় দুটোই বাড়বে। বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলো চাইবে সব গাড়ি এক্সপ্রেসওয়েতে তুলতে। তাতে তাদের ইনকাম বেশি হবে। মূল অবকাঠামো, র‍্যাম্প এবং নিচের সড়কের সক্ষমতা আছে কিনা, যাচাই করতে হবে। 

উল্লেখ্য, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০২০ সালের জানুয়ারিতে। ২০২৩ সালের জুনে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা সম্ভব হয়নি। পরে ২০২৪ সালে শেয়ারসংক্রান্ত দ্বন্দ্বে নির্মাণকাজ স্থবির হয়ে পড়ে এবং বিষয়টি উচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়ায়।


/ইউএমএইচ






  বিষয়:   ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: