চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া এলাকায় তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় আটক এক ব্যক্তিকে জনতার হাতে তুলে দেওয়ার দাবিতে পুলিশের গাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন শত শত মানুষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুড়লে ৪ জন আহত হন। এর মধ্যে ২ জন সাংবাদিক।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেলে বাকলিয়া থানার চেয়ারম্যান ঘাটার আবু জাফর রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। রাত পৌণে ৯টা পর্যন্ত বিক্ষুব্ধ জনতা সড়কে অবস্থান নিয়ে পুলিশের গাড়ি আটকে রাখেন।
এদিকে ঘটনাস্থলে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে পুলিশের ছোড়া গুলিতে আহত হন ৪ জন। এর মধ্যে দুজন সাংবাদিক। তারা হলেন মামুন আবদুল্লাহ ও নোবেল হাসান। বাকি আহত দুইজনের নাম জানা যায়নি।
জানা গেছে, ফেসবুক লাইভ চলাকালে পুলিশের গুলিতে সাংবাদিক মামুনের কোমরে এবং নোবেলের হাতে ও পায়ে আঘাত লাগে। পরে তাদের প্রথমে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পুলিশ জানায়, চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকার একটি ডেকোরেশন দোকানের কর্মচারীর বিরুদ্ধে তিন বছরের এক শিশুকে দোকানে ডেকে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ওঠে। বিসমিল্লাহ ম্যানশন নামে একটি ভবনে এ ঘটনা ঘটে। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে। আটক ব্যক্তিকে থানায় নেওয়ার পথে ক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের গাড়ি আটকে দেয় এবং অভিযুক্তকে জনতার হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়।
বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করেছে। তিন বছরের শিশুটিকে মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আটক ব্যক্তিকে থানায় নেওয়ার সময় স্থানীয়রা সড়ক অবরোধ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে।
আরবিএন