যুদ্ধ বন্ধে চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, যা জানা দরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

প্রস্তাবিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তিতে দীর্ঘদিনের উত্তেজনার মধ্যে কৌশলগতভাবে হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালুর চেষ্টা করা হয়েছে।রোববার (২৪ মে) প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে

2026-05-24T18:44:08+00:00
2026-05-24T23:58:26+00:00
 
  রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
আন্তর্জাতিক
যুদ্ধ বন্ধে চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, যা জানা দরকার
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ২৪ মে, ২০২৬, ৬:৪৪ পিএম  আপডেট: ২৪.০৫.২০২৬ ১১:৫৮ পিএম
একজন নারী ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি এবং তার পূর্বসূরি ও পিতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবি সম্বলিত একটি পোস্টার হাতে ধরে আছেন। ছবি : আল-জাজিরা
প্রস্তাবিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তিতে দীর্ঘদিনের উত্তেজনার মধ্যে কৌশলগতভাবে হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালুর চেষ্টা করা হয়েছে।

রোববার (২৪ মে) প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে কয়েক মাস ধরে চলা যুদ্ধ বন্ধে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সম্ভাব্য একটি চুক্তি অনেকাংশে চূড়ান্ত হয়েছে।   

প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই নৌপথটি অপরিশোধিত তেল ও গ্যাস পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এটি কার্যত অধিকাংশ জাহাজের জন্য বন্ধ ছিল। 

এছাড়া প্রস্তাবিত চুক্তির মাধ্যমে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ করার লক্ষ্যে আলোচনা চলছে। 

তবে ট্রাম্পের আশাবাদী মন্তব্যের বিপরীতে ইরানি কর্মকর্তারা বলছেন, এখনো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বড় ধরনের মতবিরোধ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— হরমুজ প্রণালীর ভবিষ্যৎ অবস্থা, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, লেবাননে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সংঘাত। 

ট্রাম্প কী বলেছেন 

শনিবার ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের আরও কয়েকটি দেশের মধ্যে একটি চুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং খুব শিগগিরই এর চূড়ান্ত বিবরণ ঘোষণা করা হবে। 

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান এবং অন্যান্য বিভিন্ন দেশের মধ্যে একটি চুক্তি মূলত আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে, যা এখন চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায়। 

ট্রাম্প আরও বলেন, প্রস্তাবিত চুক্তির আওতায় হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালু করা হবে।

তিনি এই উদ্যোগকে ‘শান্তি সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক’ হিসেবে বর্ণনা করেন এবং জানান, আলোচনায় সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, পাকিস্তান, তুরস্ক, মিশর, জর্ডান ও বাহরাইন অংশ নিয়েছে।

রয়টার্স সূত্র জানিয়েছে, প্রস্তাবিত কাঠামোটি ধাপে ধাপে প্রকাশ করা হবে। এতে থাকবে— আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধের অবসান, হরমুজ প্রণালী সংকটের সমাধান এবং দীর্ঘমেয়াদি শান্তির জন্য একটি বিস্তৃত চুক্তির লক্ষ্যে ৩০ দিনের আলোচনা পর্ব, যা প্রয়োজনে বাড়ানো যেতে পারে।

শনিবার রাতে অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে। খসড়া অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ওপর কোনো টোল থাকবে না এবং ইরান স্বাধীনভাবে তেল বিক্রি করতে পারবে।

একজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে মার্কিন বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেবে এবং ইরানের তেল খাতের ওপর থেকে কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে।

অ্যাক্সিওস আরও বলেছে, খসড়া চুক্তিতে ইরানের প্রতিশ্রুতিও রয়েছে যে তারা কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের চেষ্টা করবে না।

শনিবার নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খসড়া চুক্তিতে ইরানের অত্যন্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুদ হস্তান্তরের একটি ‘প্রাথমিক প্রতিশ্রুতি’ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়, কীভাবে ওই ইউরেনিয়াম হস্তান্তর বা নিষ্পত্তি করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা পরবর্তী পর্যায়ে নির্ধারণ করা হবে।

কী বলছে ইরান 

ইরানি কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং কিছু ক্ষেত্রে অগ্রগতিও হয়েছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের কিছু দাবির সঙ্গে তারা একমত নয় এবং কিছু বক্তব্যকে প্রত্যাখ্যান করেছে। 

ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) সব দিক থেকে যুদ্ধ বন্ধের একটি রোডম্যাপ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তাসনিম আরও জানায়, ইরান এখনো তার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কোনো নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। সম্ভাব্য চুক্তিতে হরমুজ প্রণালী সংক্রান্ত বিষয় সমাধানের জন্য ৩০ দিনের সময়সীমা এবং পারমাণবিক আলোচনার জন্য ৬০ দিনের সময়সীমা রাখা হয়েছে। 

এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, এই প্রস্তাবিত চুক্তি অনুযায়ী ইরান হরমুজ প্রণালী পরিচালনা অব্যাহত রাখবে। তারা ট্রাম্পের সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে, যেখানে বলা হয়েছিল প্রণালীটি পুনরায় খোলা হবে বা অন্য পক্ষ নিয়ন্ত্রণ করবে— তাদের মতে এটি বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

শনিবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সর্বশেষ প্রস্তাবকে একটি ‘ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি’ বা সমঝোতা স্মারক হিসেবে বর্ণনা করেন। তার মতে, এটি প্রথমে সাধারণ নীতি নির্ধারণ করবে, এরপর ৩০ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হবে। 

তিনি ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনাকে বলেন, বর্তমানে অগ্রগতির ধারা সংঘাত কমার দিকে, তবে এখনো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি কোথায় গড়ায় তা বোঝা যাবে। 

তিনি আরও বলেন, তেহরানের প্রধান অগ্রাধিকার হলো যুদ্ধ বন্ধ করা, ভবিষ্যতে মার্কিন হামলা বন্ধ করা এবং লেবাননে সংঘাতের অবসান ঘটানো।

প্রধান সমঝোতার বিষয়গুলো কী কী 

হরমুজ প্রণালী 

তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে প্রধান বিরোধগুলোর অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হলো হরমুজ প্রণালী। এটি পারস্য উপসাগরকে আরব সাগরের সাথে সংযুক্ত করে এবং এটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এই প্রণালী দিয়ে পরিবহন করা হতো।  

ইরান এই জলপথের উপর সার্বভৌমত্ব দাবি করে, কারণ এটি ইরান ও ওমানের আঞ্চলিক জলসীমার মধ্যে অবস্থিত এবং আন্তর্জাতিক জলসীমার অংশ নয়। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র নৌচলাচলের পূর্ণ স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে এবং প্রণালী ব্যবহারে কোনো ধরনের বাধা বা টোল আরোপকে সমর্থন করে না। 

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইরান এই প্রণালী দিয়ে ট্রানজিট নিষিদ্ধ করে, একইসঙ্গে কিছু জাহাজে হামলা চালায় এবং সামুদ্রিক মাইন স্থাপন করে কার্যত এটি বন্ধ করে দেয়। 

৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কয়েক দিন পর যুক্তরাষ্ট্র নিজস্ব অবরোধ আরোপ করে। গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ পুনরায় খুলতে তেহরানকে চাপ দেওয়ার লক্ষ্যে ইরানের নৌবাহিনী কিছু বন্দর অবরোধ করে, যা আলোচনাকে আরও জটিল করে তোলে। 


ইরানের পরমাণু কর্মসূচি

আরেকটি প্রধান ইস্যু হলো ইরানের পরমাণু কর্মসূচি, বিশেষ করে তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে। তাদের অভিযোগ, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে, যদিও এ দাবির সমর্থনে তারা প্রকাশ্যে কোনো নিশ্চিত প্রমাণ উপস্থাপন করেনি।

ইরান দাবি করে, তাদের পরমাণু কর্মসূচি সম্পূর্ণভাবে বেসামরিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত। তেহরান ১৯৭০ সালের পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি)-এর স্বাক্ষরকারী দেশ।

২০১৫ সালে, যুক্তরাষ্ট্র তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার নেতৃত্বে জয়েন্ট কমপ্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন (জেসিপিওএ) চুক্তিতে যোগ দেয়। এই চুক্তির অধীনে ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ৩.৬৭ শতাংশে সীমাবদ্ধ রাখতে সম্মত হয়, যা অস্ত্র-গ্রেড মাত্রার অনেক নিচে, এবং আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ)-কে পরিদর্শনের অনুমতি দেয়, যাতে নিশ্চিত করা যায় যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে না। এর বিনিময়ে ইরানের ওপর থেকে কিছু আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়।

তবে ২০১৮ সালে, তার প্রথম মেয়াদে, ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে জেসিপিওএ থেকে প্রত্যাহার করেন, যদিও আইএইএ তখন জানিয়েছিল যে ইরান চুক্তি মেনে চলছে।

২০২৫ সালের মার্চে, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার বর্তমান পরিচালক তুলসি গ্যাবার্ড কংগ্রেসে বলেন যে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল্যায়ন এখনো বলছে— ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে না। 

তবুও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল এই অবস্থান নিয়ে যুদ্ধকে ন্যায্যতা দেয় যে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে।

একটি চুক্তি কি করা সম্ভব

ইরান বিশেষজ্ঞ এবং কুইন্সি ইনস্টিটিউটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ত্রিতা পার্সি বলেছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যে আলোচনাগুলো চলছে, সেখানে এখনো কোনো পক্ষই বড় ধরনের ছাড় দেয়নি। তবে এটি অন্তত ইঙ্গিত দিচ্ছে যে উভয় পক্ষই একটি বড় চুক্তির দিকে যেতে চায়।

পার্সি আল-জাজিরাকে বলেন, আসল পরিস্থিতি বোঝা যাবে প্রায় ৩০ দিনের মধ্যে, যখন দেখা যাবে শেষ পর্যন্ত কী হয় এবং কে আগে ধৈর্য হারায়। তিনি আশা করেন, খুব বেশি দেরি না করেই পারমাণবিক ইস্যুতে একটি চূড়ান্ত চুক্তি হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ইরান কোনো ক্ষতিপূরণ পাবে কি না তা এখনো পরিষ্কার নয়। তবে যদি ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয় এবং পারমাণবিক সমস্যা সমাধান হয়, তাহলে এটি ২০১৫ সালের ওবামা প্রশাসনের চুক্তির চেয়েও বড় একটি সমঝোতা হতে পারে।

অন্য বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েল এই চুক্তি মেনে নেয় কি না—এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ইসরায়েলের অবস্থানই ঠিক করবে চুক্তি আদৌ সম্ভব হবে কি না।

শিক্ষাবিদ সেতারে সাদেকি বলেন, বিভিন্ন দেশ শান্তি চায় বলে ইঙ্গিত দিচ্ছে, তবে তাদের বার্তাগুলো একে অপরের সঙ্গে পুরোপুরি মিলছে না।

তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপক আল-জাজিরাকে বলেন, দুই পক্ষই বলছে তারা চুক্তির খুব কাছাকাছি, আবার অনেক দূরেও রয়েছে। একই সময়ে সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনাও এখনো আছে।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলো তিনি ইসরায়েলের চাপ উপেক্ষা করে একটি চুক্তি করতে পারবেন কি না, কারণ ইসরায়েল এমন কোনো চুক্তি বাধা দিতে পারে বলে মনে করা হয়। 


সূত্র : আল-জাজিরা 

/ইউএমএইচ 


  বিষয়:   যুক্তরাষ্ট্র  ইরান  যুদ্ধ 


Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: