একটি রাত, কিছু অচেনা মানুষ আর অতীতের খোঁজ এমন গল্প নিয়েই নির্মিত হয়েছে সিনেমা ‘নেভার মাইন্ড’। নামেই ইঙ্গিত, নিষিদ্ধ গল্প ছুঁয়ে এক সামাজিক বার্তা দিতে চলেছে সিনেমাটি।
এতে অভিনয় করেছেন করেছেন টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে সিনেমাটির প্রথম ঝলক। প্রচারঝলক প্রকাশের সঙ্গে রহস্যময় বার্তায় ভক্তদের কৌতূহল আরও বাড়িয়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন ঋতুপর্ণা।
সামাজিকমাধ্যমে সিনেমার পোস্টার শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, কিছু রাত আসে নিঃশব্দে, আর বদলে দিয়ে যায় সবকিছু। তেমনই এক রাতের গল্প নিয়ে আসছে নেভার মাইন্ড। তার এই বার্তাই নতুন করে কৌতূহল তৈরি করেছে দর্শকদের মধ্যে।
ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় দুই বছর আগে টালিউডে শোনা গিয়েছিল চৈতি ঘোষালের প্রথম সিনেমায় দেখা যেতে পারে ঋতুপর্ণাকে। প্রচারঝলক প্রকাশের মধ্য দিয়ে অবশেষে সেই গুঞ্জনই সত্যি হলো। সিনেমার পোস্টার প্রকাশের মাধ্যমে নির্মাতারা আনুষ্ঠানিকভাবে দর্শকদের সামনে তুলে ধরেছেন ‘নেভার মাইন্ড’কে।
এই সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো পরিচালকের আসনে বসেছেন অভিনেত্রী চৈতি ঘোষাল। দীর্ঘদিন অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও নির্মাতা হিসেবে এটি তার অভিষেক কাজ। ফলে সিনেমাটি নিয়ে তার ব্যক্তিগত আবেগ ও প্রত্যাশাও অনেক বেশি। তবে সিনেমাটির আরেকটি বিশেষ আকর্ষণ হলো চৈতি ঘোষালের ছেলে অমর্ত্য রায়। তিনি সিনেমার অন্যতম প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এর আগে তিনি অভিনয়ের জগতে কাজ করেছেন, তবে এই প্রথম নিজের মায়ের পরিচালনায় ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেন।
মা ও ছেলের এই নতুন যাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ সহযাত্রী হিসেবে রয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, যিনি সিনেমার অন্যতম কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ‘নেভার মাইন্ড’-এর গল্প আবর্তিত হয়েছে এক নারী ঘিরে, যিনি নিজের অতীতের একটি অধ্যায়ের খোঁজে পৌঁছে যান কলকাতার বিখ্যাত পার্ক স্ট্রিটের একটি বারে।
সেখানে পরিচয় হয় এক তরুণ বার-সংগীতশিল্পীর সঙ্গে। এরপর ভিন্ন জীবনবোধ ও পেশার কয়েকজন মানুষের গল্প এক সুতোয় গাঁথা হয়। নির্মাতাদের দাবি, কলকাতার পরিচিত পার্ক স্ট্রিটকে এ সিনেমায় সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে তুলে ধরা হবে। একই সঙ্গে থাকবে একটি মানবিক বার্তাও।
সিনেমাটির গল্প লিখেছেন সম্রাট। চিত্রনাট্যে তার সঙ্গে কাজ করেছেন মিতালি ঘোষাল রুদ্র। চিত্রগ্রহণ করেছেন গোপী ভগৎ। আর গান ও আবহসংগীতের দায়িত্বে রয়েছেন জনপ্রিয় রকশিল্পী রূপম ইসলাম।