রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারগুলোতে বেড়েছে চালের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে। শুক্রবার (৫ জুন) রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ আশেপাশের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।
বাজারে প্রতিকেজি আটাশ চাল ৫০ থেকে ৫২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ছিল ৪৮ থেকে ৫০ টাকা। মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭২ টাকায়, আগে ছিল ৬৬ থেকে ৬৭ টাকা। নাজিরশাইল বিক্রি হচ্ছে ৭২ থেকে ৮০ টাকায়, আগে ছিল ৬৫ থেকে ৭৮ টাকা।
মিনিকেট চালের ৫০ কেজির বস্তায় ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, এলসি বন্ধ থাকায় ভারতীয় চালের আমদানি কমে গেছে, যার প্রভাব পড়েছে স্থানীয় বাজারে। ভারতীয় চাল আসা কমে গেছে। ফলে বাজারে সরবরাহ কমে গেছে। সেই কারণেই দাম একটু বাড়ছে।
চালের বাজারে এমন অস্থিরতার মধ্যেই কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে মুরগি ও ডিমের বাজারে। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা কমে এখন ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগির দামও ৬০ থেকে ৮০ টাকা কমে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায় নেমে এসেছে।
মুরগি বিক্রেতা মো. হোসনে জানান, মুরগির সরবরাহ বেড়েছে। চাহিদার তুলনায় পণ্য বেশি আসায় দাম কমেছে। আমরা এখন আগের তুলনায় কম দামে বিক্রি করছি।
ডিমের বাজারেও দেখা দিয়েছে কিছুটা স্বস্তি। বর্তমানে প্রতি ডজন লাল ডিম ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগের তুলনায় প্রায় ১০ টাকা কম। ডিম বিক্রেতা সোলায়মান বলেন, সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে। তাই দাম কিছুটা কমেছে। পাইকারি বাজারেও এখন তেমন চাপ নেই।
অন্যদিকে সবজির বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে। বেশিরভাগ সবজি এখন ৫০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি পটোল ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বেগুন ৬০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, কাঁকরোল ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজার আসা বেসরকারি চাকরিজীবী আসিফ আহমেদ জানান, আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে সবজির দাম, ডিম-মুরগির দামও কমেছে। কিন্তু চালের দাম বেড়ে সেই স্বস্তি নষ্ট করে দিয়েছে। কারণ চাল তো প্রতিদিনই ব্যবহার হয়। কয়েক টাকা করে বাড়লেও মাস শেষে খরচ অনেক বেড়ে যায়।
সময়ের আলো/আআ