বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন আজ অনুষ্ঠিত হলেও নতুন বোর্ডের কাঠামো অনেকটাই আগেই স্পষ্ট হয়ে গেছে। একাধিক পদে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় ভোটগ্রহণকে অনেকেই আনুষ্ঠানিকতা হিসেবেই দেখছেন।
রোববার (৭ জুন) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সকাল থেকে শুরু হওয়া এ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠনের প্রক্রিয়া শেষ হবে। তবে ভোটের আগেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পরিচালক নির্বাচিত হয়ে যাওয়ায় নির্বাচনী উত্তাপ কিংবা প্রতিদ্বন্দ্বিতার আবহ খুব একটা দেখা যায়নি।
গত এপ্রিলে পূর্ববর্তী কমিটি বিলুপ্ত করে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের নেতৃত্বে একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটির বেশ কয়েকজন সদস্য এবার পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকে ইতোমধ্যেই প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় নির্বাচিত হয়েছেন।
আরও পড়ুন
জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিত্বকারী ক্যাটাগরিতে অধিকাংশ পদে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়নি। ১০টি পরিচালকের পদের মধ্যে ৭টিই আগেই নিশ্চিত হয়ে গেছে। ফলে ভোট হচ্ছে মাত্র কয়েকটি পদের জন্য। অন্যদিকে একটি নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির একমাত্র পরিচালকও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
সবচেয়ে বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতা রয়েছে ক্লাব প্রতিনিধিদের ক্যাটাগরিতে। তবে সেখানেও প্রার্থীদের বড় একটি অংশের নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে খুব বেশি অনিশ্চয়তা নেই বলে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা রয়েছে।
ক্রিকেট প্রশাসনের এই নির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন সময়ে স্বচ্ছতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রশ্ন উঠেছে। সমালোচকদের মতে, প্রকৃত প্রতিযোগিতার পরিবেশ না থাকায় নির্বাচনের আগেই অনেক সিদ্ধান্ত কার্যত নির্ধারিত হয়ে যায়। অন্যদিকে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বোর্ডের কার্যক্রম সচল রাখা এবং দ্রুত নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতেই বর্তমান ব্যবস্থাপনা অনুসরণ করা হয়েছে।
এএডি/